বাংলাহান্ট ডেস্ক : শনিবার থেকেই সংবাদ শিরোনামে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোনারপুরে এক তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। ‘চোর চোর’ স্লোগান দিয়ে অভিষেককে কার্যত ঘিরে ধরে উন্মত্ত জনতা। সাংসদকে সামনে পেয়ে উড়ে আসে একের পর এক ডিম। এমনকি জুতো ছোড়া, অভিষেকের জামা ছিঁড়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। শেষমেষ মাথায় হেলমেট পরে আত্মরক্ষা করতে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।
এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাচ্ছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)
যদিও এই ঘটনার পর একাধিক হাসপাতালে ঘুরলেও কোথাও ভর্তি নেওয়া হয়নি অভিষেককে। গুরুতর কোনও আঘাত নেই, তিনি সুস্থ, এই মর্মেই তাঁকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করতে দেখা গিয়েছে বিরোধী শিবিরকে। এদিকে এই ঘটনার পরেই বর্তমান রাজ্য সরকারের তরফে এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয় অভিষেককে। এই নিরাপত্তার অর্থ কী?

ভারতে নিরাপত্তার প্রকারভেদ: মূলত পাঁচ ধরণের নিরাপত্তা রয়েছে- এক্স, ওয়াই, জেড, জেড প্লাস এবং এসপিজি। এর আগে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তবে বর্তমানে তিনি এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন। মূলত কোনও ব্যক্তির উপর কম কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য হুমকি বা হামলার আশঙ্কা থাকলে এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এতে এতে ৪-৫ জন কর্মী থাকেন। এর মধ্যে দুজন সশস্ত্র পুলিশ অফিসার থাকেন। কোনও কম্যান্ডো বা কোনও এসকর্ট বা পাইলট গাড়ি দেওয়া হয় না।
আরও পড়ুন : রেশন কার্ডে তথ্য ভুল, অফিসে ছুটতে হবে না, বাড়িতে বসেই করুন আপডেট
কে কোন নিরাপত্তা পান: ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা সাধারণত কম পরিচিত বা লো প্রোফাইলের ব্যক্তিদের দেওয়া হয়। এতে ১১ জন কর্মী থাকে। তার মধ্যে ১১ জন কর্মী থাকেন তাদের মধ্যে ১-২ জন কম্যান্ডো এবং বাকিরা পুলিশ। জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয় তুলনামূলক কম হাই প্রোফাইল ব্যক্তিদের। এতে মোট ২২ জন কর্মী থাকেন, যার মধ্যে ৪ বা ৫ জন কম্যান্ডো এবং পুলিশ। জেড প্লাস ক্যাটেগরিতে মোট ৫৫ জন কর্মী থাকেন। তার মধ্যে ১০ বা তার বেশি কম্যান্ডো ও পুলিশ থাকে। এনএসজি কম্যান্ডোরা দেয় এই নিরাপত্তা। মূলত ভিভিআইপি এবং ভিআইপিদের দেওয়া হয় এই নিরাপত্তা।
আরও পড়ুন : অফলাইনের সঙ্গে অনলাইনেও করা যাবে ফর্ম ফিল আপ, কীভাবে আবেদন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে?
ভারতের সবথেকে শক্তিশালী হল এসপিজি নিরাপত্তা। এর নিজস্ব বাহিনীতে কম করেও ৪০০০ কর্মী রয়েছেন। তবে এর মোট সদস্য সংখ্যা গোপন রাখা হয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে পদ ছাড়ার পর এক বছরের বেশি এই নিরাপত্তা বাড়ানো যায় না। যদি না ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করে। বর্তমানে দেশের মাত্র ৬ জন ব্যক্তি এই নিরাপত্তা পান।













