বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে গোটা দেশে যাতে এলপিজি (LPG) সরবরাহ অব্যাহত থাকে তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে লড়তে ‘এক পরিবার এক গ্যাস কানেকশন’ নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র। আর তারপরেই কেন্দ্রের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এলপিজি এবং পিএনজি দুই কানেকশন থাকলে এলপিজি কানেকশন সারেন্ডার করতে হবে।
এলপিজি (LPG) নিয়ে নতুন নিয়ম রাজ্য সরকারের
কেন্দ্রের নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনও গ্রাহকের কাছে পিএনজি এবং এলপিজি কানেকশন একসঙ্গে থাকতে পারে না। যাদের পিএনজি কানেকশন রয়েছে, তাদের এলপিজি কানেকশন সারেন্ডার করতে হবে। এর জন্য ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়েছে, পিএনজি সংযোগ নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এলপিজি সংযোগ ছেড়ে দিতে হবে। অন্যথায় ক্যানসেল হয়ে যাবে কানেকশন।

কী জানাল সরকার: কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে পিএনজি সংযোগ নেই সেখানে এলপিজি (LPG) সরবরাহ পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং পিএনজির ব্যবহার বৃদ্ধির উপরে জোর দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : অবৈধ হকার উচ্ছেদ রেলের, স্টেশনে দোকান দিতে হলে কী করতে হয় জানেন?
কখন সারেন্ডার করতে হবে না: যেখানে পিএনজি সরবরাহ রয়েছে, সেখানে এলপিজি সংযোগ ছেড়ে পিএনজি সংযোগ গ্রহণ করার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৫ মে-র পর থেকে যারা পিএনজি পরিষেবা পাচ্ছেন, তাদের ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করতে হবে এলপিজি পরিষেবা। তবে কিছু ক্ষেত্রে এলপিজি এবং পিএনজি কানেকশন যদি একসঙ্গে থাকেও তাহলেও কানেকশন ছাড়তে হবে না।
আরও পড়ুন : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক আছে কিনা বুঝবেন কীভাবে?
পিএনজি সাপ্লাই প্রোভাইডার যদি জানান, ঠিকঠাক সাপ্লাই নেই, তবে এলপিজি কানেকশন রাখা যাবে। এছাড়া বাণিজ্যিক কাজে যাদের এলপিজি লাগবে তাদের সারেন্ডার করার প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য, এলাকায় পিএনজি কানেকশন থাকার পরেও, নোটিশ আসার পরেও যদি কানেকশন না বদলানো হয় তবে এলপিজি কানেকশন বন্ধ হতে পারে।














