বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এখন সকলের নজর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের দিকে। দলের অন্দরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী এই নিয়েও চর্চা চলছে সর্বত্র। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্বের।
নতুন মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister of West Bengal) শপথ গ্রহণ
জানা গিয়েছে, বিজেপির নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ও বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।
আগামী ৯ই মে, পঁচিশে বৈশাখের দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। শনিবার সকাল ১০টায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হবে।নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আলোচনায় উঠে এসেছে শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্ত এবং উৎপল মহারাজ-এর মতো বহু নাম।
আজ,বুধবার বিকেল প্রায় ৩টা নাগাদ শমীক ভট্টাচার্য নবান্নে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে তাঁর বৈঠক চলছে। মূলত ব্রিগেডের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতেই এই সাক্ষাৎ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়ে এবার বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ফলে সরকার গঠন থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা ঢেলে সাজাতেই চলছে প্রস্তুতি। জানা গেছে, ৮ই মে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝিও। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ।

আরও পড়ুন : দুই কেন্দ্রেই বিরাট জয়,কোন আসন রাখবেন,কোনটা ছাড়বেন- বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর
শনিবারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এনডিএ শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এবং দলের একাধিক বর্ষীয়ান নেতা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে চলা বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে।বিধানসভায় যে ব্যক্তি পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনিই মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন। ৮ মে-র বৈঠকে কার্যত স্থির হয়ে যাবে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। এখন সব কৌতূহলের কেন্দ্র ৯ই মে। ওই দিনই পরিষ্কার হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলার দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে।












