‘আবর্জনা পরিষ্কার করার মতো’, কাকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ?

Published on:

Published on:

Whom did CM Suvendu Adhikari warn from Rakhi event ?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাখি বন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্য সরকার। ভবানীপুরের এক অনুষ্ঠান থেকে বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যজুড়ে বড় আকারে রাখিবন্ধন পালনের কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি তুঙ্গে।

রাখি বন্ধন উৎসবে কাকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)?

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, জেলা সদর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পঞ্চায়েত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় রাখিবন্ধন পালন করা হবে। উৎসবকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিপুল সংখ্যক রাখি বিতরণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, পুরো আয়োজনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা। নজরুল মঞ্চের রাখি বন্ধন উৎসবের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় আড়াই হাজার তরুণ-তরুণী এবং রাজ্যের বহু পড়ুয়ার হাতে ‘তিরঙ্গা রাখি’ তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ২৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৫০০টি রাখি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। শুধু রাখি কেনার জন্যই বরাদ্দ হয়েছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, ভবানীপুরে রাখিবন্ধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উৎসবটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সময়ে রাখিবন্ধন যথাযথ মর্যাদা পায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিনের অনুষ্ঠানে দেশবিরোধী কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তাধারার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেন শুভেন্দু অধিকারী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং মাতঙ্গিনী হাজরার নাম উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণ স্তবক গাইতে যাঁরা আপত্তি করছেন, তাঁদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যজুড়ে এই ধরনের মানসিকতার মানুষদের আবর্জনার মতো পরিষ্কার করার সময় এসেছে।”

Whom did CM Suvendu Adhikari warn from Rakhi event ?

আরও পড়ুন : অভিষেকের অফিসের বিলবোর্ড খুলে দেওয়ার জের! হাই কোর্টে তৃণমূল, আজই শুনানি?

ভবানীপুরের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর নজরুল মঞ্চে রাজ্যস্তরের রাখিবন্ধন কর্মসূচিতে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিকে যাদবপুরকে ঘিরে আলাদা কর্মসূচিও রয়েছে। ৮বি মোড়ে আয়োজিত হতে চলেছে ‘সহস্র কণ্ঠে বন্দে মাতরম’। মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। রাখিবন্ধনের উৎসবকে সামনে রেখে শুক্রবারের কর্মসূচিতে ন সাংস্কৃতিক বার্তার পাশাপাশি কী রাজনৈতিক বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।