এক দিনে ৪০০ বাস গায়েব! পুরুলিয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরে চরমে উত্তেজনা

Published on:

Published on:

400 Buses Vanish From Roads Ahead of Abhishek Banerjee Purulia Rally
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুরুলিয়া জেলায় বুধবার সকাল থেকে বাস পরিষেবা নিয়ে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাস মালিক সংগঠনের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভার জন্য জেলার বিভিন্ন রুট থেকে প্রায় ৪০০টি বাস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এর ফলেই দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় বাস কার্যত উধাও হয়ে যায়।

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সবার জন্যই উধাও বাস?

সূত্রের খবর, বুধবার পুরুলিয়ার হুড়া ব্লকের লধুড়কা ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) একটি রাজনৈতিক সভা রয়েছে। সেই সভায় লোক নিয়ে যাওয়ার জন্যই বাসগুলি নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বাস মালিকদের দাবি, অন্যান্য দিনের মতো সকালে কিছু বাস চললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক বাস রাস্তায় দেখা যাচ্ছে না।

বাস না পেয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। পুরুলিয়া বাস স্ট্যান্ডে বহু মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে বাসের অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে বাইরে থেকে যাঁরা নিজের গ্রামে ফেরার চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের ভোগান্তি ছিল চোখে পড়ার মতো। এক যাত্রী সদানন্দ প্রামাণিক জানান, তিনি দুর্গাপুর যাওয়ার জন্য বাস খুঁজছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনও বাস পাননি। তাঁর কথায়, “আজ বাস পাচ্ছি না। সবাই বলছে অভিষেকের মিটিং আছে, তাই বাস তুলে নিয়েছে।”

এ বিষয়ে পুরুলিয়া বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রতিভারঞ্জন সেনগুপ্ত জানান, একটি রাজনৈতিক দল আজ জেলার প্রায় ৪০০টি বাস ভাড়া করেছে। তাঁর দাবি, “অভিষেকবাবুর আজ সভা রয়েছে। সেই কারণেই আমাদের কাছ থেকে বাস নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সভা হলে সব দলই বাস নেয়, আমরা বাধা দিতে পারি না। জেলায় সাড়ে চারশোর মতো বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় চারশো বাস আজ রাস্তায় নেই। এখন এক-দুটি বাস কোনও মতে চলছে।”

Kolkata Bus Service Dispute Halts Route 240 Commuters Suffer

আরও পড়ুনঃ পুরীর জগন্নাথ মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তোলপাড়, কড়া নিরাপত্তায় পুলিশ

এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে বাস পরিষেবা কমে যাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, রাজনৈতিক সভার জন্য সাধারণ যাত্রীদের এভাবে ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে কেন?