‘অন্ততপক্ষে ১০-১২ হাজার টাকা..,’ নয়া পে কমিশন নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পোয়া বারো!

Published on:

Published on:

7th pay commision
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে রাজ্যে সরকারি কর্মীদের জন্য আসবে সপ্তম পে কমিশন। সোমবার আগামী মন্ত্রীসভার বৈঠক। যেখানে আলোচনা হবে ডিএ (Dearness Allowance) ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী। তাই এই মুহূর্তে বাংলায় সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

সপ্তম পে কমিশনে কতটা লাভবান হবেন সরকারি কর্মীরা? 7th Pay Commission

সরকারি কর্মীদের প্রতি বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে মিলবে ডিএ, আসবে সপ্তম বেতন কমিশন। তাহলে কী খুব শীঘ্রই কপাল খুলবে সরকারি কর্মীদের? রাজ্যে নয়া বেতন কমিশন কার্যকর হলে, সরকারি কর্মীরা ঠিক কতটা লাভবান হবেন? এই বিষয়ে TV9 বাংলাকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “সরকার যদি অ্যাক্ট প্রকাশ করে, তাহলে আমাদের বুঝতে অসুবিধা হবে না, সরকার কোন উপায়ে এই সপ্তম পে কমিশন অ্যাপ্লাই করতে চাইছে। এইভাবে ইউনিফায়েড উপায়ে বলা সম্ভব নয়, কোন বেতন বেড়ে কতটা হবে।”

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “অনেক সময়ে দেখা যায়, ক্যাডার বেসিসে বেতনটা বদলে যায়। রাজ্য সরকারের কোনও কর্মী এমন রয়েছেন, যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের থেকে বেশি বেতন পান।” ভাস্করবাবু বলেন, বাংলায় কোনও শিক্ষক ৩৫ হাজার টাকা বেসিক পান, বাইরের রাজ্যে, অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ডে, ওড়িশার ক্ষেত্রে বেসিক ৯ হাজার টাকা বেশি। তারা ৪৪ হাজার টাকা পান।

প্রাথমিকের শিক্ষকের ক্ষেত্রেও প্রায় ৮ হাজার টাকা কম পান বলে জানান ভাস্করবাবু। তিনি বলেন, “এই সঙ্গে DA দেশে যে আইন মেনে দেওয়া হয়, আমাদের এখানে দেওয়া হত না। সপ্তম পে কমিশন যদি সঠিক ভাবে অ্যাপ্লাই হয়, তার সঙ্গে যদি DA যুক্ত হয়, তাহলে ধরে নেওয়া যায়, কারোর বেসিক যদি ৩০ হাজার টাকা হলে, অন্ততপক্ষে ১০-১২ হাজার টাকা বেশি পাবেন বেতনে।”

রাজ্যে বর্তমানে চালু ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। হিসেব মত ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। বাঁধাধরা নিয়ম না থাকলেও কেন্দ্র ও রাজ্যে সাধারণত দশ বছর অন্তর পে কমিশন গঠন করা হয়।

Pay Commission

আরও পড়ুন: চলন্ত রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! মুহূর্তে ভস্মীভূত দুটি কোচ, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা

যে কোনো পে কমিশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। মনে করা হচ্ছে নতুন বেতন কমিশনে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণ করা হবে। উদাহরণ হিসেবে বর্তমান বেসিক পে: ১৮,০০০ টাকা হলে ২.৯১ গুণ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে নতুন বেসিক পৌঁছে যেতে পারে ৫২,৩৮০ টাকায়। যদি তা ৩.১৫ গুণ ধরা হয় তাহলে নতুন বেসিক হতে পারে ৫৬,৭০০ টাকা। মূল বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ ডিএ-র (DA) পরিমাণও লাফিয়ে বাড়বে নয়া পে কমিশন এলে।