উইয়ে কাটা টাকার থেকেও ‘মারাত্মক’! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার পুলিশের

Published on:

Published on:

After currency notes Arms recovered from Union room of Surendranath College
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মঙ্গলবার বেলা বাড়তেই সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) ইউনিয়ান রুম থেকে উদ্ধার হয় লক্ষ লক্ষ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে আলমারি থেকে দুটি ব্যাগ পাওয়া গিয়েছে। যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা রাখা হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও টাকাগুলি উইয়ে খেয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়! কলেজের উপরের তলায় মিলেছে সুন্দর গোছানো এসি বেডরুম। আর সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রও।

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে লক্ষ লক্ষ টাকা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

এদিন খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছিল মুচিপাড়া থানার পুলিশ ও বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। সাময়িকভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় কলেজে। এরপরেই সজল ঘোষ অভিযোগ জানান, তৃণমূলের ছাত্রনেতারা কলেজে ভর্তি করে দেওয়ার নাম করে যে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে তার প্রমাণ এই টাকা। একইসাথে তিনি আরও জানান, যেটা দেখা গিয়েছে সেটা হিমশৈলের চুড়া মাত্র। তদন্ত হলেই আরও অনেক কিছু প্রকাশ্যে আসবে।

Huge Currency Notes recovered fron Surendranath College Union Room

টাকা উদ্ধারেই থেমে যায়নি চমক। কলেজের পাঁচ তলায় এসি বেডরুমের খোঁজ মিলেছে। যা হোটেলের তুলনায় কিছু কম নয়! বিগত ৬ মাস আগেই তৃণমূলের নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই নাকি এই উপর তলার এই ঘর বানানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এমনকি ইউনিয়ান রুম থেকেই পাওয়া গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। পুলিশ সেই আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক কে বা কিভাবে সেটি ইউনিয়ান রুমে এল তার তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ গরম বাড়লেও আর ছুটি নয়, ‘নয়া সলিউশন’ আনল রাজ্য সরকার, জারি নির্দেশিকা

এর আগে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে তৃণমূলের ছাত্র সংসদ কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান সজল ঘোষ। সেই চিঠির সাথেই কলেজের ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের তহবিলে দেড় কোটি টাকা রয়েছে বলে ব্যাংকের তথ্য তুলে ধরেন।

প্রসঙ্গত, ৪ তারিখ ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বন্ধ ছিল ইউনিয়ান রুম। দরজার তালার চাবি কার কাছে কোনো খোঁজই পাওয়া যায়নি। এরপর মঙ্গলবার পুরসভার সাফাই কর্মীরা ঘর পরিষ্কারের সময় তালা ভাঙেন। তখনই ওই দুই সুটকেসের দিকে নজর যায়। আর সুটকেস খুলতেই বেরিয়ে আসে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যা কি না উই পোকায় খেয়ে নষ্ট করেছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিচারে সই করিয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন খাতে এই টাকা তোলা হয়েছে।