ভরদুপুরে কালীঘাটে সিআইডির হানা, স্ক্যানারে এবার মমতার বোন

Published on:

Published on:

suddenly CID at Mamata Banerjee's sister's house
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দু কালীঘাট। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ করেই কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এলাকায় সিআইডি আধিকারিকদের দেখা মেলায় শুরু হয় জল্পনা। তবে এবার তদন্তকারীদের গন্তব্য ছিল না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাসভবন। বরং তাঁরা পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বোনের আবাসনে, যা ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বোনের বাড়িতে সিআইডি

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডি আধিকারিকরা কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে পৌঁছন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে না গিয়ে ২৯/ডি নম্বর ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। ভবনে ঢোকার আগে আশপাশের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তকারীরা। প্রতিবেশীদের দাবি, ওই আবাসনের দ্বিতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রীর বোন বসবাস করেন এবং সেখানেই সিআইডি আধিকারিকরা যান।কোন তদন্তের সূত্র ধরে সিআইডি সেখানে গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।

উল্লেখ্য, বিধায়কদের সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে এর আগেও একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়েছে সিআইডি। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি কালীঘাটে মমতার বাড়ির লাগোয়া তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল।

একই মামলার তদন্তে ভবানী ভবনে ডেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত বিষয়েও তদন্তকারীরা তথ্য সংগ্রহ করছেন। যদিও স্বাক্ষর জাল মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশে ২১ দিনের রক্ষাকবচ পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এদিনের এই অভিযান কোন মামলার সঙ্গে যুক্ত, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।

suddenly CID at Mamata Banerjee's sister's house

আরও পড়ুন :ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর বিশ্বের দরবারে বাংলার দুর্গাপুজো, বড় পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের

ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। সিআইডির এই পদক্ষেপের প্রকৃত কারণ কী এবং তদন্ত কোন মামলার সূত্রে এগোচ্ছে, তা স্পষ্ট হলে গোটা বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত ছবি সামনে আসবে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।