বাংলা হান্ট ডেস্ক : নানা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এবার নতুন করে চাপে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। দলীয় কার্যালয় ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কের আবহে ভবনের হোর্ডিং ও ব্যানার সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বাড়ির মালিকের এই পদক্ষেপকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলীয় ভবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
তৃণমূলের (Trinamool Congress) কার্যালয় নিয়ে সংকট
এবার মেট্রোপলিটন তৃণমূল কংগ্রেস ভবনের সামনে লাগানো দলের প্রতীক-সহ ব্যানার ও হোর্ডিং খুলে ফেললেন বাড়ির মালিক। যদিও দলীয় কার্যালয়টি যে এখনও সেখানেই রয়েছে, তা বোঝাতে তৃণমূল কর্মীরা একটি ফ্লেক্স টাঙিয়ে রেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, এর আগেও একাধিকবার বাড়ি খালি করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ভবন ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও দলীয় কার্যালয় এখনও সেখানে কার্যকর রয়েছে।
তবে এবার শুধুমাত্র নোটিসেই সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি হোর্ডিং নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও তৃণমূলের জন্য পরিস্থিতি খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। সম্প্রতি দিল্লিতে গিয়ে দলের প্রতিনিধি হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করা ২০টি দলত্যাগ বিরোধী পিটিশন জমা দেন। পরে দিল্লি থেকে ফিরে সেই বিষয়েই বিস্তারিত জানান তিনি।
অন্যদিকে শুক্রবার রাতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেন তৃণমূলের একাধিক নেতা। বিক্ষুব্ধ শিবিরের বৈঠকে উপস্থিত হন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি। শুধু নরেন্দ্রনাথই নন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন কান্দির প্রাক্তন বিধায়ক অপূর্ব সরকার ওরফে ডেভিড এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটকও।

আরও পড়ুন : ইলিশপ্রেমীদের জন্য বড় সুখবর! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ফিরল স্বস্তি
এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলীয় ভবনের হোর্ডিং সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা তৃণমূলের জন্য নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

















