বাংলা হান্ট ডেস্ক: সরকার বদলের সাথেই রাজ্য জুড়ে এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। এবার এই তালিকায় যোগ হচ্ছে কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরের (Rabindra Sarobar) নাম। রাজ্যের পুর নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) নির্দেশ দিয়েছেন রবীন্দ্র সরোবরকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করতে হবে।
রবীন্দ্র সরোবর নিয়ে বড় ভাবনা KMDA-এর
শহর কলকাতার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রবীন্দ্র সরোবরকে ঢেলে সাজানোর জন্য কলকাতা মহানগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ KMDA। অগ্নিমিত্রা পালের নির্দেশে দর্শনার্থীদের জন্য একটি গাইডের ট্যুর প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা করেছে। এছাড়াও রবীন্দ্র সরোবরের লেকে প্যাডেল বোটিং আবার চালু করার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা চলছে।

প্রসঙ্গত ২০০৯ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্যাডেল বোট পরিষেবা নতুন করে আবার চালু করার প্রসঙ্গে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লেকে বোটিং পরিষেবা পুনরায় শুরু করার আগে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘মারার চক্রান্ত… গোটা পশ্চিমবঙ্গ জেগে উঠবে’, হালিশহরের ঘটনায় হুঙ্কার কল্যাণের
প্যাডেল বোট থেকে সংক্ষণাগার বানানোর পরিকল্পনা
লেকে প্যাডেল বোটিং নতুন করে চালু করার পাশপাশি কর্তৃপক্ষের তরফে একটি জরাজীর্ণ ভবনকে নতুন করে সাজিয়ে একটি সংরক্ষণাগারে পরিণত করার নকশাও প্রস্তুত করছে। উল্লেখ্য রবীন্দ্র সরোবর লেককে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নতুন করে সাজানোর পাশাপাশি আগামী দিনে এই লেকের প্রবেশ মূল্যও ধার্য করা হতে চলেছে। যদিও লেকের নিয়মিত প্রাতঃভ্রমণকারীর সকালের দিকে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য কলকাতায় কেএমডিএ পরিচালিত এমন অনেক পার্ক আছে যেখানে প্রবেশমূল্য হিসাবে ১০ টাকা করে নেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে এবার রবীন্দ্র সরোবরেও ওই একই প্রবেশমূল্য রাখা হচ্ছে।কর্মকর্তারা জনিয়েছেন, হ্রদটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। এক কর্মকর্তার কথায়, “এটি রাজস্ব আয় বাড়াতেও সাহায্য করবে।”
কেএমডিএ-র এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সরোবর চত্বরে একটি জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ছিল। যা ২০০৯ সালে অকার্যকর হয়ে পড়ে। ভবনটি সংস্কার করা হয়েছে এবং ১৯২ একর জুড়ে বিস্তৃত এই শতবর্ষী কৃত্রিম হ্রদের সম্পূর্ণ কালানুক্রমিক ইতিহাস প্রদর্শনের জন্য একটি সংরক্ষণাগার-কাম-মিউজিয়াম হিসাবে প্রতিস্থাপন করা হবে।’













