বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রতিভাবান পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার পথ মসৃণ করতে এবার ‘স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ’ (Swami Vivekananda Scholarship) চালু করল সরকার। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে দেশের পাশাপাশি বিশ্বের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাওয়া কৃতী ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।
কারা পাবেন স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ (Swami Vivekananda Scholarship) ?
রাজ্যের মেধাবী তরুণ-তরুণীদের জন্য প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে।এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের। বিশেষ করে QS Overall Rankings-এ বিশ্বের সেরা ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারলে পড়ুয়ার শিক্ষার খরচের বড় দায়িত্ব নেবে সরকার। অনুমোদিত টিউশন ফি-র সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে স্কলারশিপের আওতায়। বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে এর সঙ্গে স্বাস্থ্য বিমার যুক্ত করা হয়েছে।
দেশের মধ্যেও যে সমস্ত পড়ুয়া শীর্ষস্থানীয় জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জায়গা করে নেবেন, তাঁরাও এই সহায়তার আওতায় যুক্ত হবেন। তবে কতটা অর্থ দেওয়া হবে, তা একেবারে একই হারে নির্ধারিত হবে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের র্যাঙ্কিং, মান এবং নির্ধারিত যোগ্যতার মাপকাঠি খতিয়ে দেখেই সাহায্যের পরিমাণ স্থির করা হবে। সর্বোচ্চ ক্ষেত্রে অনুমোদিত শিক্ষামূল্যের সম্পূর্ণ অংশও পাওয়া সম্ভব।
এই নতুন প্রকল্পের সূচনা করে সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য একটাই—পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য যেন কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবনের ভবিষ্যৎ ঠিক করে না দেয়।

আরও পড়ুন : বাংলার দুর্গাপুজোর প্রচারে ইনফ্লুয়েন্সর নিচ্ছে রাজ্য সরকার, কী করতে হবে?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “QS ওভারঅল র্যাঙ্কিং অনুসারে বিশ্বব্যাপী সেরা ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য, অনুমোদিত টিউশন ফি এবং স্বাস্থ্যবিমার ১০০% সহায়তা করবে SVMS। দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ড এবং র্যাঙ্কিংয়ের উপর ভিত্তি করে অনুমোদিত টিউশন ফির ১০০% পর্যন্ত পাবে। এটি আমাদের অঙ্গীকার যে, একটি তরুণ মন কতদূর যেতে পারবে তা আর্থিক সীমাবদ্ধতা নয়, বরং তাঁর প্রতিভা, মেধা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা নির্ধারিত হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিশ্ব জুড়ে, আমরা আমাদের উজ্জ্বলতম তরুণ মনগুলির পাশে থাকব।”













