বাংলা হান্ট ডেস্কঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে (Jadavpur University) ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। এবিভিপি ও এসএফআইয়ের সংঘর্ষের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যেই এবার শিক্ষক ও কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠল। ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানাল সঙ্ঘ সমর্থিত অধ্যাপক সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ’ বা ABRSM।
Jadavpur University : নিয়োগ নিয়ে কী অভিযোগ?
ABRSM-এর দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক পদে নিয়োগের সময় নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয়নি। যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের যোগ্যতা ও আগের কাজের অভিজ্ঞতা ঠিকমতো যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি।
এছাড়া ‘মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট’ চালু থাকা সত্ত্বেও কীভাবে FET-এর সেক্রেটারি পদের জন্য ইন্টারভিউ নেওয়া হল, তা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে তারা। গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক নয়ছয়ের ইঙ্গিত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ABRSM।
এই ঘটনার সত্যতা সামনে আনতে সিবিআই, সিআইডি অথবা কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। একই দাবিতে এর আগে ১৫ মে এবং ১২ জুনও দুটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ হয়। সেদিনই উপাচার্যের কাছে নতুন চিঠি পাঠায় ABRSM।
এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বা JUTA-র ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। JUTA-র অতীত ও বর্তমান ভূমিকা খতিয়ে দেখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় ফিরেছিলেন ২০ বছর পর, এবার দশমের প্রশ্নপত্রে তসলিমা! দেখে কী বললেন লেখিকা?
উল্লেখ্য, এর আগে যাদবপুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) সামনে আয়োজিত ‘গেরুয়া সম্মান যাত্রা’-য় যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিধানসভায় নতুন বিল পেশের সময়ও যাদবপুরের একাংশ অধ্যাপকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।













