বাংলাহান্ট ডেস্ক : একরাশ আনন্দ, উদ্দীপনা নিয়ে আসে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026)। উৎসবের মরশুমে এই আনন্দে সামিল হয় আট থেকে আশি সকলেই। তবে বার্ধক্যজনিত কারণে এবং একাকীত্বের জন্য অনেকে ইচ্ছা থাকলেও বাইরে বেরিয়ে ঠাকুর দেখতে পারেন না। তাঁদের জন্য এবার এক মানবিক উদ্যোগ বিধায়ক ড. শঙ্কর কুমার গুছাইত।
ঠাকুর (Durga Puja 2026) দেখার জন্য ফ্রি টোটো পরিষেবা
এমন অনেকেই আছেন যারা ভুগছেন একাকীত্বে। সন্তান থাকে ভিন রাজ্যে বা বিদেশে। কেউ কেউ আবার বার্ধক্যজনিত কারণে ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। তাঁদের জন্যই এক বিশেষ উদ্যোগ নিলেন মেদিনীপুরের বিধায়ক। সম্পূর্ণ নিখরচায় চালু হয়েছে টোটো পরিষেবা, যার মাধ্যমে প্রবীণ মানুষরা নির্বিঘ্নে প্যান্ডেলে গিয়ে ঠাকুর দেখতে পারবেন।

কতদিন মিলবে পরিষেবা: মায়ের হাত দিয়ে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন বিধায়ক। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আপাতত ৫ টি টোটো নামানো হয়েছে। সপ্তমী থেকে নবমী (Durga Puja 2026) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত মেদিনীপুর শহরজুড়ে বিনামূল্যে মিলবে এই পরিষেবা।
আরও পড়ুন : বাগবাজার থেকে হাতিবাগান, একদিনেই ঘুরুন উত্তরের নামী পুজোগুলি, রইল রুট ম্যাপ
দেখে নিন হেল্পলাইন নম্বর: এই পরিষেবাটি যাতে সহজে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায় তার জন্য তিনটি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। প্রসেনজিৎ প্রতিহার (৯০৪৬৬০৪৭৭০), অজয় দাস (৮৪৩৬৪১৯৬১০) এবং অতনু মণ্ডলের (৯৫৬৪৭৩৯৩০৮) নম্বরে ফোন করলেই চলে আসবে ফ্রি টোটো। বাড়ি থেকেই প্রবীণ নাগরিকদের তুলে মণ্ডপে ঘুরিয়ে আবার নিরাপদে পৌঁছে দেবে বাড়িতে।
আরও পড়ুন : রেস্তোরাঁর লাইনেই দিন কাবার, নবমীর রাতে ঘরেই বানান গোলবাড়ি স্টাইল কষা মাংস
এই উদ্যোগ সম্পর্কে বিধায়ক বলেন, বিধায়ক সেবাকেন্দ্রে বসার সময় দেখেছেন, শহরের অনেক বয়স্ক বাবা মা শারীরিক সমস্যা বা একাকীত্বের কারণে মণ্ডপে গিয়ে ঠাকুর দেখতে পারেন না। তাঁদের জন্যই নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ।














