Durga Puja 2026 Live Updates

ভারতের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে দেন অদ্ভুত যুক্তি! এবার বাংলাদেশেই ‘ট্রোল’ হচ্ছেন মোসাদ্দিক

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত এক কনসার্টে ভারত-বিরোধী উগ্র বক্তব্যকারী তরুণ নেতা মোসাদ্দিক আলি শিক্ষার্থীদের কটাক্ষের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন। কনসার্টের মঞ্চে উঠে তিনি যখন ‘কোটা না সংস্কার’ এবং ‘আজাদি না গোলামি’ স্লোগান দেন, তখন দর্শকাসন থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী ‘কোটা কোটা’ বলে চিৎকার করতে শুরু করেন এবং তাঁকে ‘ইউরেনিয়াম ইউরেনিয়াম’ বলে বিদ্রূপ করেন। এই ঘটনা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

ভারতের বিরূদ্ধে আওয়াজ তুলে বাংলাদেশেই (Bangladesh) ‘ট্রোল্ড’ মোসাদ্দিক

এই ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়ার পেছনে মোসাদ্দিক আলির সাম্প্রতিক একটি বিতর্কিত দাবি কাজ করেছে। এর আগে তিনি প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন যে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে বিপুল ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে এবং তা উত্তোলন করা গেলে ভারতকে একাধিকবার “উড়িয়ে দেওয়া” সম্ভব। এই অযাচিত ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিহীন দাবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হাস্যরস ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছিল, যা কনসার্টে সরাসরি প্রকাশ পায়।

আরও পড়ুন: প্রতিদিন ৩ জিবি ডেটার দরকার? Jio-র সবচেয়ে সস্তা রিচার্জ প্ল্যানেই বাজারে তোলপাড়, মাথায় হাত Airtel, Vi-এর

মোসাদ্দিক আলি পূর্বে একাধিকবার ভারত-বিরোধী মন্তব্যের মাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিটি ইট খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া। তিনি দাবি করেন, কয়েক দশক আগে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া সত্ত্বেও কোনো সরকারই তা উত্তোলনের সাহস দেখায়নি এবং ভবিষ্যতের সরকারকে ‘মেরুদণ্ড’ দেখিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই বিদ্রূপাত্মক ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে, মোসাদ্দিকের উগ্র ও অতিরঞ্জিত বক্তব্যের প্রতি দেশের শিক্ষিত যুবসমাজ, বিশেষ করে প্রগতিশীল ছাত্র সমাজের একটি বড় অংশের সমর্থন বা গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে। ‘ইউরেনিয়াম’ শব্দটি তাঁর প্রতি একটি বিশেষ ব্যঙ্গ-প্রতীক হয়ে উঠেছে।

After speaking out against India, Musaddiq was 'trolled' in Bangladesh.
মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহম্মদ

আরও পড়ুন: অলিম্পিকে ক্রিকেটার হিসেবে নামবেন উসেইন বোল্ট? কী জানালেন বিশ্বের দ্রুততম মানব?

এই ঘটনাটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চিন্তা ও অভিব্যক্তির একটি দিকও তুলে ধরে, যেখানে জাতীয়তাবাদী জ্বালানীভিত্তিক উগ্র বক্তব্যের চেয়ে যুক্তি ও বাস্তবতাভিত্তিক রাজনৈতিক সংলাপকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মোসাদ্দিক আলির মতো ব্যক্তিত্বের প্রতি ছাত্রদের এই প্রতিক্রিয়া সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায়, তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনায়ও একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।