মোদী ম্যাজিক! ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি খেয়েই বাজিমাত? জেলার সবকটি আসনে বড় জয়ের পথে বিজেপি

Published on:

Published on:

Bharatiya Janata Party is going to win in Jhargram.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বঙ্গে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরেই যে প্রশ্নটা সবার মনে উঁকি দিয়েছিল তা হল ফের প্রত্যাবর্তন হবে নাকি এবার পরিবর্তনের পালা? তবে, সোমবার অর্থাৎ ভোটের ফল সামনে আসার দিনে বঙ্গ রাজনীতিতে ফের পরিবর্তনের ছবি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ ২০১১ -র পর রাজ্যে হতে চলেছে ফের রংবদল। তৃণমূলকে কোণঠাসা করে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) জয়ের ক্ষেত্রে রীতিমতো দাপট প্রদর্শন কর প্রথমবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বঙ্গে।

ঝাড়গ্রামে সবকটি আসনে বড় জয়ের পথে বিজেপি (Bharatiya Janata Party):

ঠিক এই আবহেই বিজেপির ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ঝাড়গ্রাম। নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই ঝাড়গ্রামে প্রচারে এসে দোকান থেকে ঝাল মুড়ি কিনে খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পরেই সেখানে প্রচারে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে, ঝালমুড়ি খেয়ে জনসংযোগের ক্ষেত্রে যে শক্তিশালী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তার স্পষ্ট হয়ে গেল ভোটের ফলাফলে।

 Bharatiya Janata Party is going to win in Jhargram.

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঝাড় গ্রামের ৪ টি আসনে বিজেপি প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইতিমধ্যেই ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাউ ১৯ রাউন্ড গণনার শেষে ৩২,৩৬৫ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এদিকে, নয়াগ্রাম আসনে ১৬ রাউন্ড গণনার শেষে ৫,৭৮০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন অমিয় কিস্কু।

আরও পড়ুন: বঙ্গজুড়ে গেরুয়া ঝড়! গণনা শেষের আগেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে জয়ের উচ্ছ্বাস

এছাড়াও গোপীবল্লভপুর আসনে ১৪ রাউন্ড গণনার শেষে ১৯,৩৪৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রাজেশ মাহাতো। বিনপুরে ১৬ রাউন্ড গণনার শেষে ১৫,৩৫০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন ডাঃ প্রণতি টুডু। এই আসনে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী বীর বাহা হাঁসদাও পিছিয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: চোটের কারণে পা পুরোপুরি রাখতে পারেননি মাটিতে! তবুও, ম্যাচ জেতানো বোলিং করলেন বরুণ চক্রবর্তী

অর্থাৎ, এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে ঝাড়গ্রাম জেলায় তৃণমূলকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করতে চলেছে বিজেপি। এমতাবস্থায়, ঝাড়গ্রাম জেলায় গেরুয়া শিবিরের এহেন সাফল্যের নেপথ্যে যে মোদী ম্যাজিক রয়েছে তা মেনে নিচ্ছেন বিজেপির কর্মীরা।