বাংলাহান্ট ডেস্ক : সারা বছরের খাটনির পর বাঙালি অপেক্ষা করে থাকে পুজোর দিনগুলির জন্য। রাত জেগে প্যান্ডেল হপিং, আড্ডা, খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি অনেকে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যানিংও করেন এই সময়। এদিকে উৎসবের মরশুমে ট্রেনের টিকিটের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। টিকিট কনফার্ম না হওয়ায় অনেকে ঝুঁকছেন বাসের (Bus Fare) দিকে। কিন্তু সেখানেও টিকিটের দাম দেখে কার্যত চোখ কপালে ওঠার জোগাড়।
ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাসের থেকেও বেশি বাসের ভাড়া (Bus Fare)
উৎসবের মরশুমে ট্রেনের টিকিট কনফার্ম হওয়া কার্যত ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার এসি ভলভো বাসের ভাড়া ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাসকেও পেছনে ফেলে দিচ্ছে। একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দার্জিলিং বা পদাতিক এক্সপ্রেসে এসি ফার্স্ট ক্লাসের ভাড়া যেখানে প্রায় আড়াই হাজার টাকা, সেখানে একটি বেসরকারি সংস্থার উত্তরবঙ্গগামী বাসে আগামী শুক্রবার রাতের ভাড়া উঠেছে প্রায় ৫৯৬০ টাকা।

কত চলছে ভাড়া: সোমবার রাত পর্যন্ত ভাড়া রয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের কাছাকাছি। অর্থাৎ এসি ভলভো স্লিপার বাসে টিকিটের দাম ট্রেনের এসি ফার্স্ট ক্লাসের দ্বিগুণেরও বেশি। শুধূ উত্তরবঙ্গ নয়, পুরী যাওয়ার বাসের ক্ষেত্রেও অবস্থা একই। হাওড়া-পুরী সুপারফাস্ট এসি ফার্স্ট ক্লাসের ভাড়া যেখানে ২৪৩০ টাকা, সেখানে শুক্রবার রাতের একটি এসি ভলভোর ভাড়া (Bus Fare) উঠেছে ৪০৯৫ টাকা। কম যায় না দিঘার বাসও। সেখানেও ভাড়া হাজার ছুঁইছু্ঁই।
আরও পড়ুন : বিগ বসের ইতিহাসে নজিরবিহীন, ভোটাভুটি ছাড়াই বেরিয়ে গেলেন ঝিলাম
রাতের বাসের ভাড়া বেশি: সবথেকে বেশি ভাড়া রাতের বাসের। ৫ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে নাইট সার্ভিস বাসের ভাড়া। এখন উৎসবের মরশুম। পুজোর ছুটি টানা চলবে প্রায় কালীপুজো পর্যন্ত। এই টানা ছুটিতে বহু মানুষ ঘুরতে যান। তাই ভাড়া এখন বেশি থাকবে বলেই জানা যাচ্ছে। সব বাসের ভাড়াই ট্রেনের এসি থ্রি টায়ার বা টু টায়ারের থেকে বেশি চলছে।
আরও পড়ুন : বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে হবে রাস্তার নামকরণ, পুজোর মুখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, উৎসবের মরশুমে যাত্রী সংখ্যার কথা মাথায় রেখে প্রচও স্পেশ্যাল ট্রেন চালানো হচ্ছে। তারপরেও কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। দার্জিলিং, পদাতিকের মতো ট্রেনগুলিতে টিকিট কনফার্ম হওয়া বেশ কঠিন। তাই এই পরিস্থিতিতে বাসের ভাড়া বেড়ে চলেছে নিজের মতো।














