স্বাধীনতার পর থেকে ছিল অন্ধকারে, ডবল ইঞ্জিন সরকারের উদ্যোগে প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছাল এই গ্রামে

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : দীপাবলির আগেই আলোর ছোঁয়া পেল চাকদহ গ্রাম (Chakdaha)। দেশ স্বাধীন হলেও এতদিন আঁধারেই থেকেছে এই গ্রাম। অবশেষে রাজ্যে ক্ষমতার বদল হতেই প্রশাসনেরও নজর পড়ল এই গ্রামের উপর। অন্ধকারে থাকা ১০০ টি বাড়িতে এল বিদ্যুতের সংযোগ। বাস্তবিকই দীপাবলির আলো জ্বলতে চলেছে এই গ্রামে।

স্বাধীনতার পর প্রথম বিদ্যুৎ পেল চাকদহ গ্রাম (Chakdaha)

তারকেশ্বরের অষ্ট্রদত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে চাকদহ গ্রাম। প্রায় ৪০০ টি আদিবাসী পরিবারের বাস এই গ্রামে। কিন্তু এতদিন অন্ধকারেই ছিল গ্রামটি। স্বাধীনতার পর থেকে একদিনও বিদ্যুৎ সংযোগ আসেনি চাকদহ গ্রামে। রাজ্যে পরপর সরকার বদল হলেও অন্ধকারেই থাকতে হয়েছে গ্রামের মানুষগুলিকে। অবশেষে রাজ্যে প্রথম বার বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই ভাগ্যবদল হল চাকদহ গ্রামের।

Chakdaha village gets electricity first time after independence

কী বলছেন গ্রামের মানুষ: দীপাবলির আগেই বিদ্যুৎ সংযোগ এল গ্রামে। মুখে উজ্জ্বল হাসি সনাতন হাঁসদা, লালু মুর্মুদের। তাঁদের কথায়, এতদিন পর গ্রামটার দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাল। এর আগে দীর্ঘ বাম সরকারের আমলে, তৃণমূলের আমলেও অন্ধকারেই কাটিয়েছে চাকদহ গ্রাম (Chakdaha)। বিজেপির সঙ্গে সঙ্গে আলো এল গ্রামে।

আরও পড়ুন : কৃষ্ণকে নিয়ে ‘বাঁকা’ মন্তব্যে ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ, মানহানির মামলা বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে

কী বললেন বিধায়ক: হুগলির তারকেশ্বরের সাংসদ সন্তু পান বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন পর বিদ্যুৎ সংযোগ এল এই গ্রামে। কয়েক বছর আগে বিদ্যুতের খুঁটি পোঁতা হয়েছিল, কিন্তু সেই ১৯৯৭-৯৮ সাল থেকেই এই গ্রামের মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়ে আসছে। তাই এতদিন দেওয়া হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ।’

আরও পড়ুন : রাজবীরকে একের পর এক চড়-চিৎকার, ‘টক্সিক’ নন্দিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ টেলি তারকাদের

বিধায়ক আরও বলেন, ভোট প্রচারের সময় এই গ্রাম আমার নজরে আসে এবং আমি নিজেকেই একটি প্রতিশ্রুতি দিই। আমি ঠিক করি, ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর আমার প্রথম কাজ হবে এই বিষয়টি দেখা। এক মাস আগে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর মিটার ইনস্টল করেছে। দারিদ্র সীমার নীচে যারা রয়েছেন তারা বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। গ্রামের ১০০-র বেশি বাড়িতে আজ বিদ্যুতের আলো পৌঁছেছে। ৫০ টি বাড়িতে ইতিমধ্যেই বসে গিয়েছে মিটার’।