‘সরকারের টাকা এভাবে জলে..,’ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে নয়া খবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

Published on:

Published on:

annapurna yojana(8)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রতিশ্রুতি মতোই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করেছে বাংলার মহিলাদের অ্যাকাউন্টে। নিয়ে সুখবর। অফলাইনের পর অনলাইনেও চলছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিল-আপ প্রক্রিয়া। টানা তিন মাস আবেদন করা যাবে অন্নপূর্ণায়। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছিলেন, ২৯ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জনের অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকল্পের টাকা ঢুকেছে। এবার এই বিষয়ে আরও বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট মুখ্যমন্ত্রীর | Annapurna Yojana

রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “গতকাল পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে এই যোজনায় ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য। ফর্মে প্রথমে সমালোচনা হয়েছিল ২-৩ দিন। পরে সবাই বুঝেছেন, সরকারের টাকা, জণগনের টাকা, ট্যাক্সের টাকা এভাবে জলে ফেলা যায় না।”

একইসঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হন শুভেন্দু। বলেন, “আগের সরকার ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিত। তার মধ্যে ২৭ লক্ষের নাম ভোটার তালিকায় নেই। অবাক হবেন, এর মধ্যে ৩ লক্ষ পুরুষ লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ পাওয়া গিয়েছে। কৃষ্ণনগর ২ এর একটা অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছে ২৭৩। কী ভয়ঙ্কর দুর্নীতি। হিসাব করে দেখুন ৩০ লক্ষের টাকা বছরে কত হাজার কোটি টাকা হয়।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে যা করছি, এর সুফল আগামী ৫০ বছর এই রাজ্যের সরকার পাবে। আমরা ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করে নিয়েছি। ভাবলে অবাক হয়ে যাবেন, বিধবা ভাতাও পুরুষ পেয়ে এসেছে। যেখানেই হাত দেবেন, সেখান থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরচ্ছে। এ তো ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে জেল বানাতে হবে।”

annapurna yojana(6)

আরও পড়ুন: বারাণসী শহরের বাইরে সরবে মাছ-মাংসের দোকান! বাড়ানো হবে ফলের বাজার, নেওয়া হল বড় সিদ্ধান্ত

১২ পাতার যে দীর্ঘ ফর্ম নিয়ে জলঘোলা হচ্ছিল, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই নতুন ফর্ম প্রসঙ্গে আগেই বলেন, প্রথমে মনে হয়েছিল কোনও ফর্ম লাগবে না। কিন্তু যাচাই পর্বে দেখা যায়, এসআইআরের পর যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে, তারাও এর আগের সরকারের থেকে নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন। হাজার হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্টে সরকারি প্রকল্পের টাকা জমা পড়েছিল। তাই নতুন করে ফর্ম আনতে হয়েছে।