বাংলা হান্ট ডেস্ক: জ্যৈষ্ঠের তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। এই গরম থেকে বাঁচার জন্য মানুষ একের পর এক এসি কেনার পরিকল্পনা করছেন। তবে এই এসি কেনার ফলে বৈদ্যুতিক বিল ক্রমাগত উর্ধমুখী হয়ে চলেছে। কিন্তু একসময় এই বৈদ্যুতিক নির্ভর যন্ত্র ছাড়াই সামান্য কিছু সহজ পদ্ধতিতে পাশাপাশি পরিবেশ বান্ধব ও কম খরচে এই গরমের হাত থেকে মুক্তি পেতেন মানুষেরা (Cooling Practices)। এই পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করার ফলে একদিকে যেমন ঘর ঠান্ডা থাকতো অপরদিকে শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করতো। আজকের প্রতিবেদনে রইল সেই রকমই বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়। যেগুলোর ওপর ভরসা করলে আপনার ঘর ঠান্ডা থাকবে পাশাপাশি শরীরও ভালো থাকবে।
গরমে স্বস্তির খোঁজে ফের ভাইরাল পুরনো টিপস (Cooling Practices)
১) ফ্রিজ নয় ভরসা রাখুন মাটির কলসির জলে: অতিরিক্ত গরমে বহু মানুষই ফ্রিজের জল খেতে পছন্দ করেন। তবে এই জল খাওয়া শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। আপনি ফ্রিজের জলের বদলে মাটির কলসি বা মটকার জল পান করতে পারেন। এটি শরীরকে যেমন ঠান্ডা রাখে পাশাপাশি আরাম দিতেও সাহায্য করে (Cooling Practices)।

আরও পড়ুন: লক্ষাধিক যাত্রীর স্বস্তি, শিয়ালদা-লালগোলা রুটে আবার চালু আধুনিক মেমু ট্রেন
২) খসখসের পর্দা: দরজা বা জানালায় খসখসে পর্দা ঝোলানোর জল বহু পুরনো। পর্দায় হালকা জল ছিটিয়ে দিলে বাতাসের সঙ্গে আদ্রতা মিশে, ঘরে গরম ভাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি ঘরকে আরামদায়ক করে তুলতে সাহায্য করবে।
৩) চন্দনের শীতল স্পর্শ: এই গরমে ত্বকে জ্বালাভাব বা অস্বস্তি হলে অনেকেই চন্দনের প্রলেপ ব্যবহার করেন। তবে ব্যবহার করার আগে ত্বকে অ্যালার্জি আছে কি না দেখে নেওয়া ভালো।
৪) মাটির বাড়ির পুরনো বিজ্ঞান: গ্রামীণ বাড়িতে মাটির ঘর তুলনামূলক ঠান্ডা থাকার অন্যতম কারণ তার প্রাকৃতিক তাপ নিরোধক বৈশিষ্ট্য। তবে গোবরের প্রলেপ ব্যবহারের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা দরকারি।
৫) প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন ঘোল বা বাটারমিল্ক: গরমে শরীর থেকে জল ও লবণ বেরিয়ে যায় দ্রুত। ঘোল বা বাটারমিল্ক শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
৬) রাতের ঠান্ডা হাওয়ার ব্যবহার করুন: আগেকার দিনে খোলা বারান্দা বা ছাদে ঘুমানোর অভ্যাস ছিল। তবে আজকের দিনে নিরাপত্তা ও আবহাওয়ার বিষয় মাথায় রেখে রাতে ঘরের শোয়া হয়।
৭) আম পান্না: গরমের দেশি এনার্জি ড্রিংক কাঁচা আম দিয়ে তৈরি আম পান্না গরমের জনপ্রিয় পানীয়। এতে শরীরে তরল ও স্বাদের ভারসাম্য বজায় থাকে।
৮) ছাদে সাদা প্রলেপের কৌশল: অনেক জায়গায় ছাদে সাদা রং বা প্রতিফলক কোটিং ব্যবহার করা হয়, যাতে সূর্যের তাপ কম শোষিত হয় (Cooling Practices)।













