বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। সম্প্রতি ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় ২০% মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। এদিকে পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলা ঝুলছে সুপ্রিম কোর্টে। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সেই মামলা শুনানির জন্য উঠতে পারে। আর তার আগেই বড় সুখবর পেলেন মামলাকারী মূল সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ।
ডিএ মামলার শুনানির সম্ভাবনা ২২ জুলাই | Dearness Allowance
সমাজমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, ডিএ মামলার খরচ যোগাতে তাঁদের হাতে নগদ টাকা তুলে দিয়েছে “ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোশনার্স ফেডারেশন ” হাওড়া জেলা। ফেসবুক পোস্টে মলয়বাবু লিখেছেন, আমাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত “ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোশনার্স ফেডারেশন ” হাওড়া জেলা আগামী ডিএ মামলার খরচ যোগাতে আজ (১৭. ০৭. ২৬) কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃএমপ্লয়ীজ (INTUC)-এর হাতে
৫০ হাজার টাকা নগদ তুলে দিলেন।
এই বিষয়ে পেনশনার্স ফেডারেশন কে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃএমপ্লয়িজের তরফে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মলয় মুখোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, চলতি মাসেই বকেয়া ডিএ মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর সেই শুনানিতে চাপ বাড়তে পারে সরকারের ওপর। রাজ্যে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত (গ্রান্ট ইন এইড) প্রতিষ্ঠানগুলির (স্কুল-কলেজ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, স্বয়ংশাসিত সংস্থা) অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, শিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা বকেয়া ডিএ না পাওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে পারে কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ।

সম্প্রতি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গ্রান্ট ইন প্রতিষ্ঠানগুলির অবসরপ্রাপ্তরা এখনও বকেয়া ডিএ আংশিকও পায়নি। এদিকে বকেয়া ডিএ যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে মানা হয়নি সর্বভারতীয় মূল্য সূচকের ভিত্তি। ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানিতে এই সমস্ত বিষয় আদালতের নজরে আনা হতে পারে।
আরও পড়ুন: লাফিয়ে কমবে বিদ্যুতের খরচ! রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলি নিয়ে বিরাট পরিকল্পনা সরকারের
শেষবার ডিএ মামলার শুনানিতে বকেয়া মেটানোর কাজ কতদূর হয়েছে তা নিয়ে নয়া রাজ্য সরকারের কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পি কে মিশ্রর বেঞ্চ। জানা যাচ্ছে, আগামী ২২ জুলাই পরবর্তী শুনানির নির্ধারিত রয়েছে। তবে তা কয়েকদিন এদিক-ওদিক হতে পারে।













