‘সামান্য ভুল পদক্ষেপে..,’ সুপ্রিম কোর্ট থেকে ফিরে DA মামলার রায় নিয়ে বড় আপডেট দিলেন আইনজীবী

Published on:

Published on:

dearness allowance(103)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দীর্ঘ টালবাহানার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তারপর থেকে প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হতে চললেও মামলার রায় বেরোয়নি। বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মনে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে বকেয়া ডিএ? কবে রায়দান? এই আবহে কনফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় এবং আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মধ্যে মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আইনজীবী সুপ্রিম কোর্ট থেকে ফিরে সরকারি কর্মীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন।

ডিএ মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট | Dearness Allowance

আইনজীবী জানান, এই মুহূর্তে ডিএ মামলার শুনানির যাবতীয় সওয়াল-জবাব পর্ব শেষ হয়েছে। রায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের দ্বারা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। যার অর্থ হলো, আদালতের বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ, এখন শুধুমাত্র রায় ঘোষণা বাকি রয়েছে। যেহেতু সম্পূর্ণভাবে বিষয়টি বিচারাধীন এবং আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত রয়েছে তাই বাইরে থেকে এই মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করার কোনো আইনি সুযোগ নেই বলেই উল্লেখ করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।

সুপ্রিম কোর্টের উপর আস্থা থাকলেও এতদিনও পরও রায়দান না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মধ্যে।
কর্মচারী মহলে অনেকেই চাইছেন যাতে মামলাটি দ্রুত রায়দানের জন্য আদালতে ফের ‘মেনশন’ করা হয়। তবে আইনজীবীর মতে তা ঠিক হবে না।

তাঁর মতে, যখন কোনো মামলার রায় সংরক্ষিত থাকে, তখন সেই মামলা নিয়ে বারবার আদালতে মেনশন করা হলে অনেক সময় আদালতের বিরাগভাজনের আশঙ্কা থাকে। এতে সুবিধা হওয়ার বদলে অসুবিধা বাড়তে পারে। এই সময় অপেক্ষা না করে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সামান্য ভুল পদক্ষেপে গোটা মামলার ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও এড়িয়ে যাচ্ছেন না তিনি।

dearness allowance(78)

আরও পড়ুন: পিএম কিষাণ স্ট্যাটাসে বড় বদল! কবে ঢুকবে ২০০০ টাকার পরবর্তী কিস্তি? জানুন এখনই

আইনজীবীদের পরামর্শ, আবেগের বশে তাড়াহুড়ো না করে আদালতের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন। সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুনানি শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে রায়দান হয়ে যাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে তা না হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে। তবে আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় সেভাবে নেই সরকারি কর্মীদের।