বাংলাহান্ট ডেস্ক : পরিবর্তনের বাংলায় দুর্গাপুজোয় অনেকগুলিই ‘প্রথম’ দেখতে পাচ্ছেন রাজ্য তথা কলকাতাবাসী। প্রথম বারের জন্য দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026) হয়েছে ‘সাহেবপাড়া’ হিসেবে পরিচিত পার্কস্ট্রিটে। আর এবার এই ‘প্রথম’ এর তালিকায় যুক্ত হল সাউথ সিটি মল। পূর্ব ভারতের প্রথম কোনও শপিংমলে আয়োজিত হল পূর্ণাঙ্গ দুর্গাপুজো, যা রাজ্যে তো বটেই, সমগ্র দেশেই স্থাপন করেছে এক দৃষ্টান্ত।
সাউথ সিটি মলে প্রথমবার হল দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026)
সাউথ সিটি মলের দুর্গাপুজোয় থিম করা হয়েছে ‘যাত্রা’।শিল্পী শুভঙ্কর দত্তের ভাবনায় উঠে এসেছে মানুষের সংস্কৃতির সঙ্গে কেনাকাটা, জীবনযাপনের বিবর্তনের যাত্রাপথ। একসময় বেচাকেনা তথা মানুষের মিলনস্থল ছিল গ্রামবাংলার হাট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বদলে হয়েছে ঝাঁ চকচকে দোকান বাজার, শপিং মল। এই দীর্ঘ পথচলাকেই থিমের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী।

কী থিম করা হয়েছে: থিমের অন্যতম আকর্ষণ বাংলার বনেদি বাড়ির ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের উপস্থাপনা। মণ্ডপসজ্জার ভাবনায় উঠে এসেছে পুরনো দিনের বনেদিয়ানা, শিকড়ের টান এবং বাঙালির চিরাচরিত উৎসবের আবহ। আধুনিক শপিং মলের পরিসরের মধ্যে এই ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন শিল্পী।
আরও পড়ুন : প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য সার্কুলার লাইনে বদল, ৬ দিন ধরে ঘুরপথে চলবে একাধিক চক্ররেল
উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য: সাউথ সিটি মলের প্রথম দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, কয়েক বছর আগে দুর্গাপুজো ব্যাহত হচ্ছিল। পুজো করতে ভয় পাচ্ছিলেন অনেক মানুষ। এমনকি অনেক জায়গায় ঢাক বাজানো নিষিদ্ধ ছিল। বিসর্জন কবে হবে তা সরকার বা পুলিশ নির্ধারিত করে দিত। তবে এবার সামগ্রিক ভাবে সামাজিক পরিবর্তন এসেছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ কলকাতা শহরে বেড়েছে পুজোর সংখ্যা।
আরও পড়ুন : বন্ধই হচ্ছে না দরজা, পাতালপথে প্রতিমা দর্শনের হিড়িক, কলকাতা মেট্রো যেন বিভীষিকা!
অন্যদিকে শিল্পী শুভঙ্কর দত্ত বলেন, সম্পূর্ণ টিমের সহযোগিতা ছাড়া এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না। এমন একটি অভিনব উদ্যোগ বাস্তবায়িত করতে সৃজনশীল পরিকল্পনা ছাড়াও সমগ্র টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।














