বাংলাহান্ট ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ও দলনেতা অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar’s Plane Crash) আকস্মিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে গোটা দেশ শোকস্তব্ধ। বুধবার সকালে একটি চার্টার্ড বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণ ঘটেছে। মুম্বই থেকে স্বীয় নির্বাচনী এলাকা বারামতী অভিমুখে যাত্রাকালে, অবতরণের ঠিক আগ মুহূর্তে বিমানটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং ভয়াবহ বিস্ফোরণের শিকার হয়।
কীভাবে দুর্ঘটনার সম্মুখীন অজিত পাওয়ারের বিমান (Ajit Pawar’s Plane Crash)?
ঘটনাটি বারামতী বিমানবন্দরের কাছে সংঘটিত হয়। স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়, বিমানটি রানওয়ের দিকে নামার সময় প্রায় ১০০ ফুট উচ্চতা থেকেই হঠাৎ নিচে পড়ে যায় এবং মাটিতে ধাক্কা লাগার পরপরই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় উদ্ধারকার্য দুরূহ হয়ে ওঠে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দারা সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন, তীব্র আগুন ও ধোঁয়ার কারণে বিমানের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: কবে কোন বিষয়ের পরীক্ষা? উচ্চ মাধ্যমিকের সম্পূর্ণ রুটিন একবার চোখ বুলিয়ে নিন
বিমানে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার ছাড়াও তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, দুজন পাইলট এবং একজন কেবিন অ্যাটেনডেন্টসহ মোট ছয়জন ছিলেন। দুর্ঘটনায় সকলেই নিহত হন। অজিত পওয়ার জেলা পর্বের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে স্বীয় এলাকায় যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
এই মর্মান্তিক সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক মহল শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক শোকবার্তায় অজিত পওয়ারের অকালমৃত্যুকে ‘মহারাষ্ট্র ও দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি’ বলে উল্লেখ করেন। অজিত পওয়ারের খুড়তুতো বোন ও রাজনৈতিক সহকর্মী সুপ্রিয়া সুলে সামাজিক মাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সভাপতির, কী কী বললেন নিতিন নবীন?
দুর্ঘটনার কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও প্রাথমিকভাবে বিমানের কারিগরি ত্রুটিকেই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে দমকল ও পুলিশের দল দ্রুত পৌঁছালেও পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা সময় লেগেছে। রাজ্য প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় এই ঘটনার গভীর তদন্ত শুরু করেছে, যার রিপোর্ট দেশবাসীর কাছে শীঘ্রই পেশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।













