বাংলাহান্ট ডেস্ক : আয়করদাতাদের জন্য এল এক বড় আপডেট। জুন মাসেই সাধারণত অ্যাডভান্স ট্যাক্সের (Income Tax) প্রথম কিস্তি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ থাকে। আগামী ১৫ জুন প্রথম কিস্তি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আপনার বার্ষিক কর দায় যদি ১০ হাজার টাকার বেশি হয়, তাহলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ করা উচিত। নয়তো গুনতে হতে পারে অতিরিক্ত সুদ।
কী এই অ্যাডভান্স ট্যাক্স (Income Tax)?
তার আগে বুঝিয়ে বলি অ্যাডভান্স ট্যাক্স কী? আয়করের আগাম পরিশোধ হল অ্যাডভান্স ট্যাক্স। বার্ষিক আয়কর একেবারে বছরের শেষে একসঙ্গে না দিয়ে সারা বছর ধরে কিস্তিতে পরিশোধ করা হয়। একে বলে ‘Earn as You Pay’। কারোর মোট করদায় ১০ হাজার টাকার বেশি হলে অ্যাডভান্স ট্যাক্স দেওয়া বাধ্যতামূলক।

কাদের দিতে হয় অ্যাডভান্স ট্যাক্স: শুধু ব্যবসায়ীরাই নয়, চাকরিজীবীরাও কিন্তু আসতে পারে অ্যাডভান্স ট্যাক্সের আওতায়। এফডি এর সুদ থেকে আয়, বাড়ি ভাড়া, ফ্রিল্যান্সিং, ক্যাপিটাল গেইনস ডিভিডেন্ড আয়ের মতো বিষয়ের উপর করদায় থাকলে অ্যাডভান্স ট্যাক্স দিতে হয়।
আরও পড়ুন : গরমে মন জুড়ানো পাকা আমের পায়েস, পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা, রইল রেসিপি
কীভাবে জমা হয় অ্যাডভান্স ট্যাক্স: জানিয়ে রাখি, মোট চারটি কিস্তিতে জমা দিতে হয় অ্যাডভান্স ট্যাক্স (Income Tax)। ১৫ জুন প্রথম কিস্তির সময়সীমা। এসময় মোট করের ১৫ শতাংশ দিতে হয়। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বরে মোট করের ৪৫ শতাংশ, ১৫ ডিসেম্বর মোট করের ৭৫ শতাংশ এবং ১৫ মার্চ মোট করের ১০০ শতাংশ জমা দিতে হয়। উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ে অ্যাডভান্স ট্যাক্স জমা না দিলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম ট্যাক্স দিলে আয়কর আইনের ধারা ২৩৪ বি এবং ২৩৪ সি অনুযায়ী অতিরিক্ত সুদ দিতে হতে পারে।
আরও পড়ুন : ট্রেনই অন্য শহরে পৌঁছে দেবে বাইক-স্কুটি, খরচ কত, নথিপত্রই বা কী কী প্রয়োজন?
ঘরে বসেই অনলাইনে অ্যাডভান্স ট্যাক্স জমা করা যায়। এর জন্য প্রথমে আয়কর বিভাগের ই ফাইলিং পোর্টালে লগইন করুন। e-Pay Tax অপশনে ক্লিক করে Assessment Year নির্বাচন করুন। এরপর Tax Type হিসেবে Advance Tax নির্বাচন করুন। তারপর Challan 280 বেছে নিন। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।













