বড় স্বস্তি যাত্রীদের! বন্দে ভারত স্লিপার ও অমৃত ভারতে ফের চালু হচ্ছে এই কোটা, কী জানাল রেল?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ‘ইমার্জেন্সি কোটা’ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রেল বোর্ড (Indian Railways)। তবে এক মাসের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে আংশিক বদল আনা হল। ফেব্রুয়ারিতে জারি হওয়া বিশেষ সার্কুলারে জানানো হয়েছে, নতুন প্রজন্মের ট্রেনগুলিতে ফের এই কোটা চালু করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনে ভ্রমণের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ফের ইমারজেন্সি কোটা চালু করল ভারতীয় রেল (Indian Railways)

গত ৯ ফেব্রুয়ারি দেশের সব রেলওয়ে জ়োনে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বন্দে ভারত স্লিপার এবং অমৃত ভারত এক্সপ্রেস–এ নির্দিষ্ট সংখ্যক বার্থ জরুরি কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এতে শেষ মুহূর্তে যাত্রার প্রয়োজন হলে উপযুক্ত নথি দেখিয়ে আবেদন জানাতে পারবেন যাত্রীরা। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, চিকিৎসা, সরকারি দায়িত্ব বা গুরুতর পারিবারিক পরিস্থিতির মতো ক্ষেত্রে এই সুবিধা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন:কয়লা পাচারে পুলিশের একাংশ জড়িত? ভোটের আগে বিস্ফোরক দাবি অনুব্রত মণ্ডলের

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী বন্দে ভারত স্লিপারের ফার্স্ট এসি কোচে কর্মদিবসে চারটি এবং সপ্তাহান্তে ছ’টি বার্থ সংরক্ষিত থাকবে। এসি টু–টিয়ারে কর্মদিবসে ২০টি এবং সপ্তাহান্তে ৩০টি বার্থ রাখা হবে জরুরি কোটার জন্য। একই ভাবে এসি থ্রি–টিয়ারে যথাক্রমে ২৪টি এবং সপ্তাহান্তে ৪২টি বার্থ সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে পরিকল্পনা ছাড়া হঠাৎ ভ্রমণের প্রয়োজন হলেও কিছুটা স্বস্তি মিলবে যাত্রীদের।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু এই দুই ট্রেনই নয়, অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনেও নিয়মিতভাবে জরুরি কোটা সংরক্ষণের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জ়োনাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি আবেদন আলাদা ভাবে যাচাই করা হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি থাকলেই অনুমোদন দেওয়া হবে। এতদিন মূলত সরকারি পদাধিকারীরাই এই কোটায় আসন পেতেন, তবে এবার সাধারণ যাত্রীরাও সুযোগ পাবেন।

Indian Railways has reintroduced emergency quota.

আরও পড়ুন:পাউরুটি দিয়েই মালপোয়া, এক কামড়ে বেরোবে মিষ্টি পুর—ঘরোয়া রেসিপি জানুন

তবে এই কোটায় বার্থ পেতে অনলাইন বুকিংয়ের সুবিধা রাখা হয়নি। নির্দিষ্ট রেলওয়ে জ়োনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং যাচাইয়ের পর অনুমোদন মিলবে। যাত্রীদের জরুরি পরিস্থিতিতে ভ্রমণ সহজ করতে এবং আধুনিক ট্রেন পরিষেবাকে আরও যাত্রীবান্ধব করে তুলতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রেল মহল।