বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ডিএ মামলায় হিতে-বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা? এমনটাই সতর্ক করলেন মামলার সাথে প্রথম থেকে যুক্ত থাকা আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তারপর থেকে প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হতে চললেও মামলার রায় বেরোয়নি। মামলার রায়দান কবে হবে? অপেক্ষায় হাজার হাজারো সরকারি কর্মচারী ও পেনশনার।
ডিএ ইস্যুতে যখন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সরকারি কর্মীরা, সেই আবহে কনফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় এবং আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মধ্যে মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি আইনজীবী সুপ্রিম কোর্ট থেকে ফিরে এসেছেন। এবং এই পরিস্থিতিতে কী কী করণীয়? সেই সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন।
ডিএ মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট | Dearness Allowance
আইনজীবী জানান, এই মুহূর্তে ডিএ মামলার শুনানির যাবতীয় সওয়াল-জবাব পর্ব শেষ হয়েছে। রায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের দ্বারা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। যার অর্থ হলো, আদালতের বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ, এখন শুধুমাত্র রায় ঘোষণা বাকি রয়েছে। যেহেতু সম্পূর্ণভাবে বিষয়টি বিচারাধীন এবং আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত রয়েছে তাই বাইরে থেকে এই মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করার কোনো আইনি সুযোগ নেই বলেই উল্লেখ করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।
সুপ্রিম কোর্টের উপর আস্থা থাকলেও এতদিনও পরও রায়দান না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মধ্যে।
কর্মচারী মহলে অনেকেই চাইছেন যাতে মামলাটি দ্রুত রায়দানের জন্য আদালতে ফের ‘মেনশন’ করা হয়। তবে আইনজীবীর মতে তা ঠিক হবে না।
তাঁর মতে, যখন কোনো মামলার রায় সংরক্ষিত থাকে, তখন সেই মামলা নিয়ে বারবার আদালতে মেনশন করা হলে অনেক সময় আদালতের বিরাগভাজনের আশঙ্কা থাকে। এতে সুবিধা হওয়ার বদলে অসুবিধা বাড়তে পারে। এই সময় অপেক্ষা না করে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সামান্য ভুল পদক্ষেপে গোটা মামলার ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও এড়িয়ে যাচ্ছেন না তিনি।

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে শীত যাবে চুলোয়! ৪ জেলায় জারি সতর্কতা: আজকের আবহাওয়া
আইনজীবীদের পরামর্শ, আবেগের বশে তাড়াহুড়ো না করে আদালতের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন। সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুনানি শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে রায়দান হয়ে যাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে তা না হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে। তবে আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় সেভাবে নেই সরকারি কর্মীদের।













