রাজ্যজুড়ে বিশেষ কর্মসূচি, ১৩-১৪ অগস্ট নিয়ে নবান্নের বড় নির্দেশ

Published on:

Published on:

Nabanna's big instructions to observe Partition Remembrance Day
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দেশভাগের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য মানুষের যন্ত্রণা, আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইকে স্মরণ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৩ ও ১৪ অগস্ট রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ (Partition Horror Remembrance Day) পালনের সিদ্ধান্তে নবান্ন (Nabanna) থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের চিঠির ভিত্তিতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।

‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নবান্নের (Nabanna)

‘দেশভাগ স্মরণ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্তে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন সমস্ত জেলার জেলা শাসকদের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠিয়েছেন। নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশভাগের ভয়াবহ দিনগুলির স্মৃতি এবং সেই সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আত্মত্যাগকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ।

সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে পড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষও অংশ নিতে পারবেন। স্থানীয় স্টেকহোল্ডার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলির সঙ্গে সমন্বয় করেই জেলাগুলিকে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৪ অগস্ট সন্ধ্যায় প্রতিটি জেলা সদরে উপযুক্ত জায়গা বেছে নিয়ে ‘ক্যান্ডেল মার্চ’ করতে হবে।

এছাড়াও ১৩ ও ১৪ অগস্ট জেলার গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় দেশভাগকে কেন্দ্র করে প্রদর্শনী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে দেশভাগের পটভূমি, মানুষের উপর তার প্রভাব, সেই সময়ের কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনি এবং আর্কাইভে সংরক্ষিত ছবি ও নথি দেখানো হবে। এমনকি তথ্যচিত্র ও ডকুমেন্টারি ফিল্ম প্রদর্শনের ব্যবস্থাও থাকবে। এই সমস্ত আয়োজনের জন্য প্রতিটি জেলাকে ৩০,০০০ টাকা করে সরকারি অর্থ দেওয়া হবে।

Nabanna's big instructions to observe Partition Remembrance Day

আরও পড়ুন : আগামী মাস থেকে কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

জেলা শাসকদের স্থানীয় পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সঙ্গে আলোচনা করে অনুষ্ঠানগুলির প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশভাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সেই সময়ের মানুষের সংগ্রামকে জনমানসে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। রাজ্যজুড়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানগুলির মাধ্যমে ইতিহাসের সেই বেদনাদায়ক অধ্যায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে চাইছে প্রশাসন।