বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমার (Provident Fund Deposit) নিয়মে এল বিরাট বদল। সম্প্রতি কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের গ্রাহকদের জন্য EPF Scheme 2026 নামের একগুচ্ছ নতুন নিয়ম লাগু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার ফলে এবার ১২%-এর অধিক পিএফ জমা করা নিয়ে কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের অবসান ঘটতে চলেছে।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের নতুন ‘ফান্ডা’
গত মাসেই অর্থাৎ ২৯ জুন থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা দেওয়ার নতুন নিয়ম আগামীদিনে গ্রাহকদের খানিকটা হলেও স্বস্তি দিতে চলেছে। আসলে এতদিন কর্মীদের বেতন কাঠামো অনুযায়ী তাঁদের বেতনের ১২ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এবার থেকে বিষয়টি ঐচ্ছিক করে দেওয়া হচ্ছে।
নূন্যতম পিএফ কত?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী যদি কোনো কর্মীর নূন্যতম বেতন ১৫০০০ টাকা হয় তাহলে তাঁকে তাঁর বেতনের ১২% অর্থাৎ ১৮০০ টাকা পিএফ দিতে হবে। কিন্তু যাঁদের বেতন ১৫০০০-এর বেশি তাঁরা তাঁদের বেতন কাঠামো অনুযায়ী ১২ শতাংশের কম অর্থ জমা করতে পারবেন। তবে সেটা ১৮০০ টাকার কম হলে চলবে না। আবার কেউ চাইলে আগের নিয়ম অনুযায়ী ১২ শতাংশই পিএফ দিতে পারেন। কিংবা তিনি চাইলে নূন্যতম ১৮০০ টাকা পিএফ দিয়ে বাকি টাকা নিজের বেতনের সাথেও যুক্ত করে নিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
আরও পড়ুনঃ ‘নেত্রীকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে!’ তৃণমূল ভবন থেকে একুশে জুলাই নিয়ে সাফ জবাব আকরুজ্জামানের
এমনকি গ্রাহক যদি মনে করেন তাহলে তিনি ১২ শতাংশেরও বেশি টাকা নিজের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আখেরে লাভ হবে তাঁরই। কারণ বলাবাহুল্য যিনি যত বেশী পিএফ জমাতে পারবেন অবসর গ্রহণের পর তিনি তত বেশী লাভবান হবেন।
কেন্দ্রের নতুন স্কিম ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম, ২০২৬’ অনুযায়ী সব কর্মীদেরই শুধুমাত্র বিধিবদ্ধ বেতনসীমা অনুযায়ী অর্থাৎ নূন্যতম ১৫,০০০ টাকা বেতনের হিসাবে ১২% পিএফ দেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন্দ্র আশাবাদী নতুন এই নিয়মে দেশের প্রায় আট কোটি ইপিএফও গ্রাহক লাভবান হতে চলেছেন।













