লুকিয়ে থাকার পর হঠাৎ এন্ট্রি, আর তাতেই রণক্ষেত্র ভাঙড়! মার খেলেন তৃণমূল নেতা

Published on:

Published on:

NIA-Accused Trinamool Congress Leader Beaten by Mob After Returning to Bhangar
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভাঙড়ে হঠাৎই উত্তেজনা ছড়াল শনিবার রাতে। অনেকদিন লুকিয়ে থাকার পর এলাকায় ফিরতেই মানুষের রাগের মুখে পড়লেন এক তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা। আগে থেকেই তাঁর নাম জড়িয়ে ছিল বোমা বিস্ফোরণ মামলায়, আর সেই কারণেই তাঁকে খুঁজছিল NIA। এলাকায় ফিরতেই গ্রামবাসীরা তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

NIA-র তালিকায় থাকা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাকে ঘিরে চাঞ্চল্য

ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া এলাকায় শনিবার রাতে আচমকাই উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা অহিদুল ইসলাম একটি গাড়িতে করে এলাকায় ফিরছিলেন। তাঁর ফিরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। চালতাবেড়িয়া মোড়ে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। অভিযোগ, এরপর তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

কী নিয়ে ক্ষোভ এলাকার মানুষের?

এই ঘটনার পেছনে রয়েছে পুরনো এক বিস্ফোরণ মামলা। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার পর ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। বোমা তৈরির সময় আরও কয়েকজন গুরুতর জখম হন। সেই ঘটনার তদন্তভার পরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA-র হাতে যায়।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই এক অ্যাম্বুলেন্স চালক-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত হিসেবে যাঁর নাম উঠে আসে, সেই অহিদুল ইসলাম এতদিন ধরেই পলাতক ছিলেন।

শনিবার রাতে তাঁর হঠাৎ এলাকায় ফিরে আসাই পরিস্থিতিকে বিস্ফোরক করে তোলে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিজয়গঞ্জ বাজার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মাঝেই বড় অভিযোগ, ‘কেনাবেচা হতে পারে’, কী ইঙ্গিত দিলেন মমতা?

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই চিকিৎসাধীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চালতাবেড়িয়া ও আশপাশের এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।