বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রত্যেক মাসে ওষুধের পিছনে হাজার হাজার টাকা খরচ হয় রাজ্যের বহু মানুষের। তবে এবার সেই খরচ অনেকটা কমে যেতে পারে। কারণ বাংলায় আরও ৪৬৯টি জনৌষধি কেন্দ্র (Janaushadhi Yojana) চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের কাছে। সম্প্রতি এমনটাই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
জনৌষধি যোজনায় উপকৃত হয়েছেন বহু মানুষ | (Janaushadhi Yojana)
মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি প্রকল্পে রাজ্যে আরও ৪৬৯টি কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এবার ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহকুমা হাসপাতাল অবধি এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে বহু পরিবারের ওষুধের খরচ একধাক্কায় অনেকটা কমে আসবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ কর্মই ধর্ম! ছেলে বিধায়ক হলেও বাবা চালান মুদি দোকান, ‘বদলের বাংলা’য় বেনজির ছবি
জনগণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রাজ্যে ৪৬৯টি প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে কেন্দ্রের কাছে। শুভেন্দু বলেন, “এর দ্বারা ব্লক হেলথ সেন্টার, সাব ডিভিশন হসপিটাল, বিপিএইচসি ও জেলা হাসপাতাল কভার করা হবে। ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন মিলিয়ে একজনের পরিবারে যদি ২ হাজার টাকার ওষুধ লাগে, সরকার নিয়ন্ত্রিত ৪৬৯টি জনৌষধি কেন্দ্র চালু হলে ধরে নিতে পারেন তা কমে আনুমানিক ২০০ টাকায় পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ জনগণ অন্তত ১০ গুণ সুবিধা পাবেন”। এর পাশাপাশি অমৃত ভারত প্রকল্পের অধীন দুরারোগ্য রোগের ওষুধে ক্রেতারা ৫০% থেকে ৮০% অবধি ছাড় পেতে চলেছেন।

ভারতের জনপ্রিয় স্বাস্থ্য উদ্যোগগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি যোজনা। রাসায়নিক ও সার মন্ত্রকের তথ্য বলছে, ২০১৪ সালে গোটা দেশে জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৪টি। চলতি বছরের মধ্যে তা ১৯,২০০-র বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের আরও কয়েক লক্ষ মানুষ সাশ্রয়ী দামে উন্নত মানের জেনেরিক ওষুধ পাবেন।
এদিকে জানা যাচ্ছে, জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ায় খুশি বহু মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, বর্তমানে যেভাবে ওষুধের দাম বাড়ছে। তাতে কিছুটা ছাড় পাওয়া গেলে ভীষণ সুবিধা হয়।













