বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধবা ভাতা (Bidhoba Bhata) প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিধবা মহিলাদের মাসে মাসে আর্থিক সহায়তা দেয় সরকার। সম্প্রতি এই প্রকল্পের (Government Scheme) ভাতা ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে। যদিও বিধবা ভাতার জন্য কোথায়, কীভাবে আবেদন করতে হয় তা অজানা থাকায় অনেক মহিলাই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। আজকের প্রতিবেদনে সেসব তথ্য তুলে ধরা হল।
বিধবা ভাতার আবেদন পদ্ধতি | (Bidhoba Bhata)
বিধবা ভাতার উপভোক্তারা এতদিন মাসে মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন। এবারের রাজ্য বাজেটে ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এবার থেকে তাঁরা ১৫০০ টাকা করে পাবেন। গত জুন মাসে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে এই প্রকল্পের ফর্ম দেওয়া ও জমা নেওয়ার কাজ হয়েছে। বহু মহিলা সেখানে গিয়ে আবেদন করেছেন।
আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ডিবিটি লিঙ্ক করিয়েছেন? এটা আদৌ নিরাপদ কিনা জানুন
তবে জনকল্যাণ শিবিরে গিয়ে আবেদন না করতে পারলেও চিন্তা নেই। জানা গিয়েছে, সারা বছর ব্লক, পুরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিধবা ভাতার আবেদনের কাজ চলে। সেখান থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যেতে পারে। এরপর যথাযথ তথ্য দিয়ে তা পূরণ করে জমা করে দিতে হয়।
জানা গিয়েছে, বিধবা ভাতার আবেদনে ডিবিটি লিঙ্ক থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে হয়। সেই সঙ্গেই আবেদনকারী মহিলার আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের এপিক নম্বরও আবেদনে উল্লেখ করতে হয়।
বিধবা ভাতার আবেদনে কী কী নথি লাগে?
বিধবা ভাতার আবেদনপত্রের সঙ্গে আবেদনকারী মহিলার স্বামীর ডেথ সার্টিফিকেটের কপি, আবেদনকারীর আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের কপি ও একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হয়। অনলাইন ও অফলাইন দু’ভাবেই এই সরকারি প্রকল্পে আবেদন করা যায়।

তবে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বিধবা ভাতার আবেদন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে ইচ্ছুক মহিলাদের কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। সূত্রের খবর, পরবর্তী জনকল্যাণ শিবিরে আবার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। সেই সময় ফের এই প্রকল্প সংক্রান্ত নতুন গাইডলাইন প্রকাশিত হবে।
প্রসঙ্গত, বিধবা ভাতা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন রাজ্যের বহু বিধবা মহিলা। এই প্রকল্পে যে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায় তা তাঁদের নানা কাজে লাগে। রাজ্য বাজেটে ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা করে বাড়ানোয় তাঁদের মুখের হাসি আরও চওড়া হয়েছে।













