“গম্ভীর বলেছিলেন…..”, কোন প্ল্যানে সূর্যবংশীর জায়গায় দলে ঢুকলেন স্যামসন! ফাঁস হলো বড় রহস্য

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ এইমুহূর্তে ভারতীয় দলে (Indian Cricket Team) ওপেনিং পজিশন নিয়ে তীব্র লড়াই চলছে সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson) ও গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) মধ্যে। দেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েও ওপেনার হিসেবে নিজের জায়গা সুরক্ষিত করতে পারেননি স্যামসন। অপরদিকে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সিরিজ সেরার পুরস্কার জিতেও চলতি ভারত বনাম আফগানিস্থান (India vs Afghanistan) সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে সুযোগ পাননি বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)।

বিশ্বকাপের পর আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে টানা ব্যর্থতার জেরে প্রথমে একাদশ আর তারপর স্কোয়াড থেকেই বাদ পড়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। কিন্তু তারপর আফগানিস্থান সিরিজের জন্য তাকে দলে ফেরান নির্বাচকরা। টিম ম্যানেজমেন্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও তাকে টানা দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ দেয়। আর সেই ভরসার মান রেখে দ্বিতীয় ম্যাচে ২২ বলে ৫৭ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন সঞ্জু।

কিন্তু প্রথম ম্যাচে তিনি ড্রেসিংরুমে ফিরেছিলেন কেবলমাত্র ১০ রানের ব্যক্তিগত স্কোরে। তারপরেই সমালোচকরা তীব্র সমালোচনা করে তার। জিম্বাবোয়ে সফরে ভারতের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক বৈভব সূর্যবংশীকে বসিয়ে কেন অফফর্মে থাকা সঞ্জুকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তার ব্যাটিং আপাতত চুপ করিয়েছে নিন্দুকদের।

আরও পড়ুন: ভারতের আর একটি সহজ হয়ে অবশেষে ফর্মে ফিরলেন সঞ্জু স্যামসন! ছুঁয়ে ফেললেন রোহিত শর্মাকে

এবার বৈভবের বদলে তার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেরালার তারকা ক্রিকেটার নিজেই। সঞ্জু বলেছেন, “ভারতীয় দল পরিচালনা করা সহজ কাজ নয়। দেখুন, ১৫ বছর বয়সী এক তরুণ (সূর্যবংশী) আইপিএলে ৭০০-৮০০ রান করেছিল। এই সিরিজের আগেও জাতীয় দলের হয়ে সে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিল। তাই কোনও না কোনওভাবে ওকে সুযোগ দিতেই হতো। আমার মনে হয়, আমি হয়তো দু-তিনটি ম্যাচে ভালো খেলতে পারিনি। সে তখন দারুণ ফর্মে ছিল এবং সেই সিরিজে ম্যাচ জেতাতে চেয়েছিল। একজন অধিনায়কের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি খুবই বোধগম্য। আগেই যেমনটা বলেছি, আমিও এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছি। অধিনায়ক হিসেবে আমাকেও অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, তাই আমি বিষয়টি বুঝি। আর এখানেই খেলোয়াড়দের মধ্যে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।”

আরও পড়ুন: কেন ভারতের চেয়ে ইংল্যান্ডে বেশি সময় কাটান বিরাট কোহলি? সামনে এলো বড় সত্যি

এরপর তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, “এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এমনকি এই সিরিজের মাঝপথেও আমাদের মধ্যে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। সিরিজের আগেও প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর আমার সঙ্গে এই নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। আসলে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ কাজ নয়। জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা অনেক সহজ। তবে আমার মনে হয়, দল সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা যাদের হাতে, তারা সবসময়ই দলকে প্রাধান্য দিয়ে বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখানেই তাদের দলের কৃতিত্ব স্বীকার করতে হয়।”