বাংলা হান্ট ডেস্ক : উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই খাবারের গুণমান নিয়ে কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার(State Government) । মন্দির ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যে বিপুল পরিমাণ প্রসাদ তৈরি হয়, তার মান নিয়ন্ত্রণেও এবার সরকারি নজরদারি বাড়ছে। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বড় আকারে প্রসাদ তৈরি বা বিতরণ করা যাবে নাহ বলে জানানো হয়েছে।
পুজোর প্রসাদ গুণমানে নজর রাখবে সরকার (State Government)
উৎসবের সময় ভক্তদের হাতে যে খাবার পৌঁছবে, তা কোনওভাবেই ভেজালযুক্ত হওয়া চলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। প্রসাদ তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে করতে হবে। যাঁরা প্রসাদ তৈরির দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করার কথা বলেছেন তিনি।
মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক আধিকারিক তুকারাম মুন্ডের নেতৃত্বে খাদ্যপণ্যের গুণমান নিয়ে ধারাবাহিক অভিযান চলেছিল। সেই অভিযানে ভেজাল পনিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া থেকে শুরু করে জনপ্রিয় ফাস্টফুড সংস্থার আউটলেটের লাইসেন্স বাতিলের মতো একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত খাবারকেও সেই নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।
সম্প্রতি এফডিএ-র তরফে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়। যেসব বড় ভাণ্ডারে নিয়মিতভাবে প্রসাদ রান্না করে মানুষের মধ্যে বিতরণ করে, তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে, বলে জানানো হয়েছে। সামনে গণেশ চতুর্থী থাকায় এই নির্দেশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। উৎসবের দিনগুলিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন।
তবে শুধু খাবারের নিরাপত্তা নয়, পুজোর আয়োজন ঘিরে দুর্ঘটনা এড়াতেও সতর্কতা জারি করেছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী। মহারাষ্ট্রে গণেশ উৎসব বিশেষ জনপ্রিয়। জাতীয় উৎসবের স্বীকৃতি পাওয়ার পর রাজ্যজুড়ে আরও ব্যাপক পরিসরে এই আয়োজন হয়। সেই কারণে খাবারের মান থেকে শুরু করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে।

আরও পড়ুন :মুখ্যমন্ত্রীর হাতে রাখি বাঁধলেন অগ্নিমিত্রা! একাধিক ছবি শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা মন্ত্রীর
মহারাষ্ট্র সরকারের বার্তা যে কোনও খাবারের মতোই প্রসাদও নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যমান মেনে তৈরি হতে হবে। গণেশ চতুর্থীর আগে মহারাষ্ট্র সরকারের এই পদক্ষেপে উৎসবের প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রশাসনিক নজরদারিও যে বাড়ছে, তা স্পষ্ট।













