বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে কালীঘাট তৃণমূল (Trinamool Congress)। একাধিক ঘটনায় পুলিশ এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেছে দল। এবার সেই সব অভিযোগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং রাজ্যপাল আরএন রবির সঙ্গে দেখা করতে চাইছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার দু’জনের কাছেই চিঠি পাঠিয়ে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে।
কোন কোন বিষয় নিয়ে অভিযোগ তৃণমূলের (Trinamool Congress)?
তৃণমূল (Trinamool Congress) সূত্রে খবর, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের কাছে বিস্তারিত অভিযোগ জানানো হবে। গত কয়েক মাসে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনাও তাঁদের সামনে তুলে ধরতে চায় দল।
গত ৩০ মে সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। তাঁকে চড়-ঘুষি মারা এবং ডিম ছোড়ার অভিযোগও ওঠে। এরপর তৃণমূলের আরও কয়েকজন নেতা-নেত্রীর দিকে ডিম ছোড়ার অভিযোগ সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মহুয়া মৈত্র এবং সৌগত রায়। এই ঘটনাগুলির পরেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল।
পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের (Trinamool Congress)। দলীয় সভা এবং মিছিলের অনুমতি না দেওয়া নিয়ে ২১ জুলাই এবং ২৮ অগস্টের সভায় সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৮ অগস্টের সভায় তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে না। অনুমতি না পেলেও মানুষের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ভোরে কালীঘাট তৃণমূলের (Trinamool Congress) ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দলের দাবি, অস্ত্র নিয়ে কয়েকজন সেখানে ঢুকে কর্মীদের উপর হামলা চালায়। ফোন কেড়ে নেওয়া এবং অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, ভোরে অস্ত্র নিয়ে রাজনৈতিক দলের অফিসে ঢুকে হামলা এবং ভাঙচুর হলেও পুলিশ যদি চুপ করে থাকে, তাহলে রাজ্যে আইনের শাসন কোথায়?
আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে রেশন অতীত! এইসব কারণে বাতিল হতে পারে রেশন কার্ড, আপনারটা থাকবে তো?
তৃণমূল (Trinamool Congress) সূত্রে খবর, এই ঘটনাগুলির পাশাপাশি রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ এবং বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের সামনে তুলে ধরা হবে। এই সব বিষয় জানাতেই দু’জনের সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।














