বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে নতুন করে ছড়িয়েছে নিপা (Nipah Virus) আতঙ্ক। বারাসতের এক হাসপাতালে দুজন নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি, এই খবর ছড়াতেই জনমানসে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করেছে আতঙ্ক। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাসের এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত হলে সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে কোনও রোগী চলে যেতে পারেন কোমায়। রিপোর্ট বলছে, প্রায় ৪০-৭৫ শতাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হলে মারা যান।
কী উপসর্গ রয়েছে নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus)?
চিকিৎসকরা জানান, জ্বর, গা হাত পায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, বমি বমি ভাব, খিঁচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখলে বোঝা যাবে নিপা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু কীভাবে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে এই মারণ রোগ থেকে? কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত এই সময়?

কোন মাংস থেকে দূরে থাকা উচিত: চিকিৎসকরা বলছেন, শুয়োর পালন এবং শুয়োরের মাংস খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে। যেকোনো ফলই ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে। বাইরের খাবার থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। সঙ্গে N-95 মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন : জরুরি কাজে আটকে পড়েছেন, শুনানির দিন হাজিরা দিতে না পারলে কী হবে?
কীভাবে ছড়ায় সংক্রমণ: তবে শুয়োর কিন্তু নিপা ভাইরাসের বাহক নয়। এই ভাইরাস (Nipah Virus) ছড়ায় বাদুড় থেকে। সংক্রামিত প্রাণীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ায় এই ভাইরাস। কাঁচা তালের রস, বাদুড়ে মুখ দেওয়া খেজুরের রস বা বাদুড় কামড়েছে এমন ফলের মাধ্যমেও ছড়ায় নিপা ভাইরাস। সংক্রামিত খামার থেকে প্রাপ্ত শুয়োরের মাংস খেলে ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন : হু হু করে বাড়ল নম্বর, বছরের শুরুতেই ছক্কা হাঁকাল জলসা, প্রথম স্থানে কে?
শুয়োর মূলত দূষিত ফল বা ফলের রস খেয়ে ভাইরাসে সংক্রামিত হয়। এমন সংক্রামিত শুয়োরের কাছাকাছি থাকলে রক্ত, প্রস্রাব, লালা থেকে সংক্রামিত হতে পারে মানুষ। বাদুড়ের লালা বা মূত্র থেকে দূষিত হলে সংক্রামিত শুয়োরের মাংস মানুষের ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর ফলে পরোক্ষভাবে সংক্রামিত হয় মানুষ।












