শশী থারুরের ছেলেসহ ৩০০ কর্মীকে ছাঁটাই, চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট ছাড়লেন সংস্থার প্রধান

Published on:

Published on:

Will Lewis, the publisher and CEO of The Washington Post, has resigned
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: আবার খবরের শিরোনামে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট (The Washington post)। কিছুদিন আগে ৩০০ কর্মীকে ছাঁটাই এর জন্য শুরু হয়েছিল চর্চা। তারপর আবার চর্চায়, তবে এবার ওয়াশিংটন পোস্টের পাবলিশার এবং সিইও উইল লুইস ইস্তফা দিয়েছেন। কারণ জানিয়ে তিনি দুই পাতার ইমেইলও করেছেন।

ইস্তফা দিয়েছেন দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট (The Washington post) এর সিইও

আর্থিক চাপের কারণে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। ক্রীড়া বিভাগ বন্ধের পাশাপাশি কয়েকটি দেশে নিজেদের ব্যুরো গুটিয়ে নিয়েছে এই সংস্থা। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ছিল দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। সেখানে ৩০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই নিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন উঠেছিল।

এই সবকিছুর মাঝখানেই এবার খবর এলো উইল লুইস এর পদত্যাগের। তিনি জানিয়েছেন ‘আমি দায়িত্বে থাকাকালীন দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের ভবিষ্যত আরো সুনিশ্চিত করতে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে এই সংবাদ মাধ্যম আগামী বহু বছর ধরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে নিরপেক্ষ সংবাদ উপস্থাপন করতে পারে’। তবে নিজের ইস্তফা পত্রে তিনি জেফ বেজোসের প্রশংসা করে লিখেছেন ‘প্রতিষ্ঠানটির জন্য এর থেকে ভালো মালিক অন্য কেউ হতে পারতেন না’।

আরও পড়ুন:লুচি কেন কখনও পারফেক্ট হয় না? ভাজার আগে তেলে নুন দিলেই মিলবে উত্তর

লুইস এর আগে অন্য সংস্থায় ছিলেন। তিনি দ্য ওয়াল স্টেট জার্নালের উচ্চ পদে আসীন ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ওয়াশিংটন পোস্টে যোগ দেন। যদিও এই সময় সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। ওই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠেছিল একাধিক প্রশ্ন।

আরও পড়ুন:বড় ঘোষণা ICC-র! ১৪ বছরের বৈভব সূর্যবংশী সামিল হলেন এই বিশেষ টিমে

Will Lewis, the publisher and CEO of The Washington Post, has resigned

এর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে শশী থারুরের পুত্র ঈশান থারুর কর্মরত ছিলেন এই সংস্থায়। যে ৩০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ঈশান থারুরও। এই সংস্থায় দায়িত্ব লুইস ছেড়ে দেওয়ার পর অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়াশিংটন পোস্টের ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জেফ ডি’অনোফ্রিও-কে। আগামী দিনে এই সংস্থা কী পদক্ষেপ নেয় সেদিকে তাকিয়ে সকলে।