কনস্টেবল নিয়োগ বিতর্কে হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হাইকোর্ট, বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ে বড় ধাক্কা চাকরিপ্রার্থীদের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court dismisses case challenging height controversy in constable recruitment
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল (West Bengal Police Recruitment) নিয়োগ পরীক্ষার মামলায় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। পুনরায় শারীরিক উচ্চতা যাচাইয়ের একাধিক আবেদন খারিজ করল বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। অমৃতা সিনহার বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ৪৩ হাজার প্রার্থী শারীরিক উচ্চতা যাচাই পর্বে বাদ পড়েছে, প্রত্যেকের একই মানদন্ডে বিশেষ পদ্ধতিতে শারীরিক উচ্চতা যাচাই করা হয়েছে। এখন যদি কয়েকজনকে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে পুরো প্রক্রিয়াতে আবার জটিলতা তৈরি হতে পারে।

চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)

২০২৪ সালে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড-এর পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে শারীরিক উচ্চতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় অনেককে অকৃতকার্য ঘোষণা করা হয়। চাকরিপ্রার্থীরা পুনরায় তাদের উচ্চতার পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিল, কারণ ওই দিন চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল পরীক্ষা কেন্দ্রে আর তাদের কথা শোনাও হয়নি। সেই কারণে তারা এই আবেদন করেছিল হাইকোর্টের কাছে।

কিছুদিন আগেই হাইকোর্টের আরেকজন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নম্বর এবং ক্যাটাগরি সহ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল এবং বেশ কিছু প্রার্থীর শারীরিক উচ্চতা পুনরায় যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছিল। রাজ্য সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। সেই মামলার শুনানিও এই সপ্তাহে হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:“আপনিও মমতার বাড়ির চালে ঢিল মেরেছেন”, আদর্শ নিয়ে ফিরহাদের খোঁচায় পাল্টা আক্রমণ সজলের

আজ আবেদনকারীদের ফের পরীক্ষা নেওয়ার আবেদন নাকচ করে দেন অমৃতা সিনহা। তিনি জানান যে, আদালত যদি ফের উচ্চতা মাপার পরীক্ষা নেয়, সে ক্ষেত্রে প্রত্যেকেই আবেদন করবে, যার কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুন:বিশ্বমঞ্চে জয়জয়কার বাংলার ধানের! গোবিন্দভোগ-সহ ৩টি চালকে ‘হেরিটেজ’ স্বীকৃতি দিল রাষ্ট্রপুঞ্জ

Calcutta High Court dismisses case challenging height controversy in constable recruitment

হাইকোর্টের অন্য বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের রায়ের বিরুদ্ধে যে আপিল করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে, তার শুনানি এখনও বাকি রয়েছে। অন্যদিকে এই পরীক্ষাতেও যদি আবার রায় সরকারের বিপক্ষে যেত সেক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি আবার বিপন্ন হত। তাই এই নির্দেশ রাজ্য সরকারকে স্বস্তি দিয়েছে বলা চলে।