বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ আজ একই দিনে মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ও মোহনবাগান (Mohun Bagan)। লাল-হলুদ ব্রিগেড মাঠে নেমেছিল ডুরান্ডের (Durand Cup 2026) নক-আউট পর্যায়ে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে। সবুজ-মেরুণ শিবির মাঠে নেমেছিল কলকাতা লিগে (Calcutta Football League) নিজেদের অবস্থার উন্নতি ঘটাতে। ইস্টবেঙ্গল নিজ লক্ষ্যে সফল হলেও সিএফএলে (CFL 2026) টানা দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমে হারের মুখ দেখলো মোহনবাগান।
গত কলকাতা লিগের ম্যাচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে হারের পর এইদিন জয়ের জন্য মরিয়া ছিল মোহনবাগান। কিন্তু ম্যাচে সেই মরিয়া মনোভাবের প্রতিফলন দেখা গেলো না। গোটা ম্যাচে এমন কিছু করতে পারেনি তারা যা থেকে প্ৰমাণিত হয়ে পারে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব। উল্টোদিকে গোটা ম্যাচে প্রায় নিখুঁত ডিফেন্ডিং করে শেষ ১০ মিনিটে জোড়া গোল করে ম্যাচে জিতে নেয় ভবানীপুর।
এদিন মোহনবাগানের হয়ে একটি গোল শোধ করেছিলেন তরুণ ফুটবলার বিভানজ্যোতি লস্কর। কিন্তু সেটি মোহনবাগানের হার আটকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে তারকা ফুটবলার কিয়ান নাসিরীর শট পোস্টে না লাগলে ম্যাচের ফল অন্যরকমও হতে পারতো। তবে এদিনের কলকাতা লিগের ম্যাচ দেখে অতি বড় মোহনবাগান সমর্থকরাও স্বীকার করবেন যে তারা জেতার মতো খেলেননি।
আরও পড়ুন: দূর্গাপুজোর আগেই বড় উপহার পেলো কলকাতা, শহরে আসছে ভিনিসিয়সের ব্রাজিল, মুখোমুখি হবে ভারতীয় দলের
অপরদিকে ডুরান্ডের ম্যাচে ৫ গোল করে প্রতিপক্ষ সাউথ ইউনাইটেডকে বিধ্বস্ত করলো ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা ডার্বি হারের পরের ম্যাচে সিআইএসএফ প্রটেক্টর্সদের ৮-০ ফলে বিধ্বস্ত করেছিল সবুজ-মেরুণ শিবির। তারপর আজ ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন পাঁচ জন ভিন্ন গোলদাতা। স্কোরবোর্ডে নাম তোলেন র্যামিরেজ, রশিদ, ডেভিড, বিপিন ও নবাগত হার্দিক।
ডুরান্ড কাপে নিজেদের গ্রূপের শীর্ষে শেষ করার সুযোগ কম ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু দুই শীর্ষ দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার দৌড়ে বাকি দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলির চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে লাল হলুদ শিবির। সেক্ষেত্রে এই টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার ডার্বি প্রত্যক্ষ করতে পারে বঙ্গ ফুটবলপ্রেমীরা।













