পর্যটকদের উদ্দেশ্যে কড়া নির্দেশ কমিশনের! বিকেলের মধ্যেই ছাড়তে হবে দিঘা-মন্দারমণি-তাজপুর

Published on:

Published on:

Election Commission of India issues strict instructions for Digha tourists.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন(Election Commission of India)। সেই লক্ষ্যেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হল, যাতে ভোটের আগে কোনও রকম অশান্তি বা অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

কমিশনের (Election Commission of India) নির্দেশে ফিরবে পর্যটকরা:

২১শে এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যটন এলাকা দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর এবং শঙ্করপুর-সহ সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় জেলার বাইরের কোনও ব্যক্তিকে হোটেলে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না। হোটেল মালিকদের এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা দিয়েছে কমিশন। বর্তমানে যাঁরা এই সমস্ত পর্যটনকেন্দ্রে রয়েছেন কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাসিন্দা নন, তাঁদের মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই হোটেল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বাইরের লোকের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার পর থেকে ২৩ এপ্রিল ভোটের দিন পর্যন্ত বহিরাগতদের ঘর ভাড়া দিতে পারবে না কোনও হোটেল বা লজ। শুধুমাত্র প্রশাসনের বিশেষ অনুমতিতে এই সময়কালে হোটেলে থাকতে পারবেন ব্যক্তিরা। তবে স্থানীয় ভোটারদের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে।

Election Commission of India issues strict instructions for Digha tourists.

আরও পড়ুন : বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন বাদ পড়েছে নাম? ট্রাইব্যুনালকে দ্রুত শুনানির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে পর্যটন শিল্পে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হলেও, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই সকাল থেকে দিঘা ও মন্দারমণির বিভিন্ন হোটেলে পর্যটকদের দ্রুত চেক-আউট করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোটের আগে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কড়া নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একটি নির্বিঘ্ন ভোটপর্ব নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের প্রধান উদ্দেশ্য।