বাংলা হান্ট ডেস্ক:প্রতারকদের খপ্পরে এবার রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) ভয় দেখিয়ে আদায় লক্ষাধিক টাকা। এই প্রতারণা কাণ্ডে বিপুল পরিমাণ অর্থ খুইয়েছেন প্রাক্তন উপাচার্য (Former Vice-Chancellor) অশোক রঞ্জন ভট্টাচার্য। দু সপ্তাহ ধরে তাকে ডিজিটাল অ্যারেস্ট করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
কিভাবে উপাচার্য হলেন ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest)?
ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে প্রতারকরা ভারতীয় ক্রাইম কো অর্ডিনেশন সেন্টার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আধিকারিক পরিচয় দিয়ে, এই প্রাক্তন উপাচার্যকে ফোন করে। তাঁকে বলা হয় আন্তর্জাতিক মানব পাচার ও সাইবার অপরাধে যুক্ত একজনের সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। প্রথমে এমন অভিযোগ তুলে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের নোটিশও পাঠানো হয়, যেটা ছিল ভুয়ো নোটিশ।
এই ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। প্রতারকরা যে ফোন নম্বর ব্যবহার করেছে এবং যে অ্যাকাউন্টে তারা টাকা ট্রান্সফার করেছে, তার সূত্র ধরে খোঁজ চালানো হচ্ছে। ডিজিটাল অ্যারেস্টের এই ঘটনা আবার প্রমাণ করলো মানুষ কোনোভাবেই প্রতারকদের থেকে নিরাপদ নয়। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, এই ধরনের প্রতারণা তত বাড়ছে।
উপাচার্য আরও অভিযোগ জানিয়েছেন যে সিগন্যালের মতো একটি ইনক্রিপ্টেড অ্যাপ এর মাধ্যমে নিয়মিত তাঁকে প্রতারকরা নিজের অবস্থান জানাতে বাধ্য করেছিল। এমনকি তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে স্ক্রিন শেয়ার করতেও বলা হয়েছিল। ভেরিফিকেশনের নামে তাঁর দুটি স্থায়ী আমানত ভেঙে, দুটি সংস্থার একাউন্টে আরটিজিএস এর মাধ্যমে ৩৫ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করিয়ে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:স্ট্রিমিংপ্রেমীদের জন্য সুখবর! Jio-র দুই সস্তা প্ল্যানে মিলছে প্রতিদিনের ডেটার পাশাপাশি ফ্রি ২০ জিবি

এই প্রাক্তন উপাচার্য অশোক রঞ্জন ঠাকুরের বয়স প্রায় ৭৭ বছর। প্রতারকরা এই বয়সী মানুষদের বেশি টার্গেট করছে। কারণ একে তারা বয়স্ক অন্যদিকে যতক্ষণে তারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন তার আগেই তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাবে বড়সড় প্রতারণার মত ঘটনা। কারণ অনেকেই আছে এখনো টেকনোলজির দিক থেকে ততটা সড়গড় নয় আর সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাচ্ছে প্রতারকরা।











