বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভায় সোমবার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। কিন্তু সেই সব বিলের পাশাপাশি নজর কেড়েছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) অন্দরের রাজনৈতিক সমীকরণ। দলের দুই শিবিরই দাবি করেছে, একে অপরের শিবিরের কয়েকজন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ফলে কে কতজন বিধায়কের সমর্থন পাচ্ছে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
তৃণমূলে (Trinamool Congress) বিধায়ক সমর্থন নিয়ে নতুন দাবি
সোমবার বিধানসভায় ওবিসি সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনা চলাকালীন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ শিবির দাবি করে, কালীঘাটপন্থী আরও তিন জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের দাবি, এর ফলে তাঁদের সমর্থনকারী বিধায়কের সংখ্যা ৬৫ থেকে বেড়ে ৬৮ হয়েছে। তবে ওই তিন জন বিধায়ক কারা, তা প্রকাশ করা হয়নি। তাঁদের পক্ষ থেকেও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর কয়েক ঘণ্টা পর গুন্ডাদমন বিলের ভোটাভুটিকে ঘিরে পালটা দাবি করেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ঋতব্রত শিবিরের চার জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সেই কারণেই তাঁরা ভোটাভুটিতে অংশ নেননি বলে তাঁর দাবি। গুন্ডাদমন বিলের ভোটে বিলের পক্ষে ১৭৬টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে ভোট দেন ৪১ জন বিধায়ক। এছাড়া ২০ জন ভোটদান থেকে বিরত থাকেন।
ঋতব্রত শিবিরের দাবি অনুযায়ী, তাঁদের সঙ্গে ৪৫ জন বিধায়ক রয়েছেন। কিন্তু বিলের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ৪১টি। এই চার ভোটের পার্থক্য দেখিয়েই কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ওই চার জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং তাই ভোটে অংশ নেননি।
তবে দুই পক্ষের কেউই কোনও বিধায়কের নাম প্রকাশ করেনি। ফলে আসলে কারা কোন শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দুই শিবিরই নিজেদের শক্তি দেখানোর চেষ্টা করছে। তাই এই দাবিগুলির সত্যতা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ OBC রিজার্ভেশনে বড় সিদ্ধান্ত, পুরনো আইন বদলে নতুন পথে রাজ্য সরকার
অন্যদিকে বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও সরকার ওবিসি সংশোধনী বিল এবং গুন্ডাদমন বিল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করিয়ে নিয়েছে। তবে দিনের শেষে বিল পাসের চেয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) অন্দরের এই সংখ্যার লড়াই নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে।













