বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেড় দশক পর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই রাজ্যে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে এবং কাজের গতি বাড়াতে কড়া হাতে একাধিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করছে (Government of West Bengal)। সম্প্রতি কর্মীদের (Government Employees) অফিসে উপস্থিতি এবং বেরোনোর সময় নিয়েও কড়া নিয়ম এনেছে রাজ্য সরকারের জুডিশিয়াল ডিপার্টমেন্ট।এবার হাজিরা নিয়ে আবারও কড়া নবান্ন।
সরকারি কর্মীদের জন্য কড়াকড়ি সরকারের | Government Employees
সরকারি কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। বলা হয়েছে, ১৫ জুন থেকে নবান্নে বাধ্যতামূলক ‘ফেস রিকগনিশন’ বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালু হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে এই ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় মুখে সনাক্ত যন্ত্রে উপস্থিতি নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক। ছাড় পাবেন কেবল দফতর প্রধানরা।
নবান্ন তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ১০ টা বেজে ১৫ থেকে ১১টার মধ্যে উপস্থিত হলে ‘লেট’ হিসেবে ধরা হবে। সকাল ১১টার পর অফিসে পৌঁছলে ‘অনুপস্থিত’ চিহ্নিত করা হবে। বিকেল ৫টা বেজে ১৫ মিনিটের আগে অফিস থেকে বেরোলে ‘আর্লি ডিপার্চার’ ধরা হবে। একই দিনে দেরিতে আসা ও আগেভাগে বের হলে একদিনের নৈমিত্তিক ছুটি (CL) কেটে নেওয়া হবে সরকারি কর্মীদের।
অফিস ত্যাগের সময় বায়োমেট্রিক রেকর্ড না করলে অনুপস্থিত ধরে নেওয়া হবে। মাসে প্রতি তিনদিন দেরি হলে বা তাড়াতাড়ি প্রস্থানের জন্য একদিনের CL/CCL কেটে নেওয়া হবে। আরও বলা হয়েছে, সরকারি বৈঠক বা দাপ্তরিক কাজের কারণে দেরি বা তাড়াতাড়ি চলে গেলে সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

সদর দফতরের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ছাড় বহাল থাকার কথা বলা হয়েছে। সরকার তরফে জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা ও ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণের উদ্দেশেই কর্মীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একের পর এক কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার সেই তালিকায় জুড়ল আরও এক।













