কারা রয়েছে পর্দার আড়ালে? বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তদন্ত চাইলেন কুণাল ঘোষ

Published on:

Published on:

Kunal Ghosh Demands Probe Into Wetland Filling Near EM Bypass
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় কৃষিজমি ও জলাজমি ভরাটের অভিযোগ নতুন করে সামনে আনলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন বিধানসভায় তিনি দাবি করেন, এই ধরনের কাজের পিছনে একটি বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে বিধানসভার অন্দরে আলোচনা শুরু হয়।

জলাজমি ভরাট নিয়ে কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বড় দাবি

বুধবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিক বিষয় তুলে ধরেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। হোমিওপ্যাথি কলেজের উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রসঙ্গের পাশাপাশি তিনি ইএম বাইপাসের ধারের কৃষিজমি ও জলাজমি ভরাটের অভিযোগও উত্থাপন করেন। কুণালের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংগঠিত চক্র এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে পরিবেশ ও এলাকার স্বাভাবিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তাই পুরো বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) এই মন্তব্যের পর শাসক দলের বেঞ্চ থেকেই কিছু প্রতিক্রিয়া শোনা যায়। কারণ, রাজ্যে জলাজমি ভরাটের অভিযোগ নতুন নয়। অতীতেও এই বিষয় নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবং একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বিধানসভায় সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কুণাল (Kunal Ghosh) বলেন, কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সামনে আসা উচিত। পরে শাসক পক্ষের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন বিষয়ে তদন্তের দাবি তোলা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, জলাজমি ভরাট ও বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও আদালতে মামলা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা কড়া অবস্থান নেন। বেআইনি নির্মাণ হয়েছে বলে চিহ্নিত সমস্ত প্লটের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

Kunal Ghosh Injured in Sudden Home Accident

আরও পড়ুনঃ বাজেটের পরই ৯০ দিনের ডেডলাইন! সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে বড় নির্দেশ স্বরাষ্ট্র দফতরের

ফলে পুরনো সেই বিতর্কের আবহেই এবার বিধানসভার ভিতর থেকে জলাজমি ভরাটের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্যের পর বিষয়টি আবারও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।