বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জানুয়ারি মাসও শেষ হতে যাচ্ছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার (Dearness Allowance) চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে। তারপর থেকে প্রায় চার মাস অতিক্রান্ত হতে চললেও মামলার রায় সামনে আসেনি। সুপ্রিম কোর্টের উপর আস্থা থাকলেও সবমিলিয়ে হতাশা বাড়ছে সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মধ্যে।
কবে আসবে ডিএ মামলায় রায়? Dearness Allowance
সোমবার এক সাক্ষাৎকারে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়স-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “এখন আর বলতে পারছি না। আমাদের দেশের সর্ববৃহৎ আদালত তাঁরা মামলাটা নিয়েছেন ২৫. ০৩. ২০২৫ এ। মাননীয় বিচারপতিরা রাজ্য সরকারকে বলেছিলেন, ডিএ মামলাটা অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে, আগে আপনারা পঞ্চাশ শতাংশ পরবর্তীতে যা ২৫% হয়েছে, তা দিন তারপর আপনাদের কথা শুনবো।”
আশাহত হয়ে মলয়বাবু আরও বলেন, “সেটা তো দিল না শুনানি করলো, এবং ম্যারাথন শুনানি! যাতে ডিএ অর্ডারটা নিশ্চই খুব শীঘ্রই প্রকাশ পায়। এরম ম্যারাথন শুনানিতো অন্যান্য মামলাতে আমরা দেখিনি। বাংলার এমন কোনো মামলা গেছে যেখানে পরপর চার দিন শুনানি হয়েছে বলে আমাদের মনে নেই। সুপ্রিম কোর্ট তো ফেলেই রাখতে পারতো।”

মলয়বাবু আরও বলেন, “আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya) বলেছেন, সাধারণত একটা রিজার্ভ মামলা তিনমাসের মধ্যেই রায় ঘোষণা করার কথা। এখন বিচারকদের ব্যাপার, তাঁরা যদি বলেন আরও বেশি সময় লাগবে তো লাগবে। আমরা কিছু বলতে পারবো না।”
আরও পড়ুন: ২০২৫-এর টপ সার্চে চমক! মেঘালয়-সিকিম পিছিয়ে, সেরা গন্তব্য বাংলার এই স্পট
সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুনানি শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে রায়দান হয়ে যাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে তা না হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে। আদালতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কর্মচারীমহল। আর কত অপেক্ষা? সরকারি কর্মীদের মনে ক্ষোভ বাড়লেও উত্তর নেই কারও কাছেই। আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো রাস্তাই যে খোলা নেই…













