বাংলা হান্ট ডেস্ক:কেন্দ্রীয় শ্রমিক এবং কৃষক সংগঠন গুলি আজ ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ভারত বন্ধের (Strike) ডাক দিয়েছে। এর ফলে ব্যাংক, সরকারি অফিস, বাজার, পরিবহন পরিষেবা প্রভাবিত হতে পারে। কারণ প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক এই ধর্মঘটে অংশ নিতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকার ২৯ টি শ্রম আইন বাতিল করে চারটি নতুন শ্রম কোড (Labour Code) কার্যকর করেছে, যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই বনধ ডাকা হয়েছে।
শ্রম কোড (Labour Code) এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী ভারত বন্ধের (Strike) ডাক
কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শ্রম কোড গুলির বিরুদ্ধে শ্রমিক সংগঠনগুলো তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই দেশব্যাপী বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে আজ ১২ ফেব্রুয়ারি। এই শ্রমিক সংগঠনগুলির মতে নতুন কোডের কারণে শ্রমিকদের অধিকার দুর্বল হয়ে পড়বে। নিরাপত্তা বিপন্ন হবে, বেতনের বৈষম্য বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে এক্ষেত্রে।
শ্রমিক সংগঠনগুলির এই বনধের কারণে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে, যেমন সরকারি অফিস, বাজার, সরকারি খাতের ব্যাংক, বীমা অফিস, কারখানা। কেরালা উড়িষ্যা এবং কর্ণাটকে, আশা করা হচ্ছে এর প্রভাব বেশি পড়বে এবং ঠিক দুপুর 2টোয় এই বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হবে।
আরও পড়ুন:DA মামলার আবহেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর, বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থ দফতর
তবে কিছু অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা আছে যেগুলোকে বন্ধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। যেমন বিমানবন্দর এবং বিমান পরিষেবা চালু থাকবে। ব্যাংক এবং বিমা সংস্থা গুলির অনলাইন পরিষেবাও চালু থাকবে। হাসপাতাল এবং জরুরী পরিষেবা চালু থাকবে। উচ্চ মাধ্যমিকের কথা মাথায় রেখে গণপরিবহন ব্যবস্থাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে আর ফেরি চলাচলও নেই ধর্মঘটের আওতার মধ্যে।
আরও পড়ুন:পুরুলিয়া থেকে এবার এক ট্রেনেই দিল্লি, আরও এক সুপারফাস্ট বন্দে ভারতের ঘোষণা, কবে থেকে চালু পরিষেবা?

সিটু, আইএনটিটিইউসি, এআইটিইউসি, এইচএমএস-সহ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন গুলির সঙ্গে বিভিন্ন শিল্পভিত্তিক ফেডারেশন এই ধর্মঘটে যোগ দিয়েছে। পরীক্ষা থাকায় পশ্চিমবঙ্গের শুধু শিল্প ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হলেও, দেশের অন্যান্য জায়গায় কিন্তু সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ফলে রেল, সড়ক প্রভৃতি অবরোধের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

















