বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: এবার বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) শুরুর আগেই কিছুটা দমে গিয়েছেন ব্রাজিল (Brazil) সমর্থকরা। এই প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপে ব্রাজিল দল মাঠে নামছে এই বিষয়টি মাথায় রেখে যে তারা টুর্নার্মেন্টের ফেভারিট নন। ফ্রান্স, স্পেনের মতো ইউরোপিয়ান দেশগুলি ছাড়াও এবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনাও ধারে-ভারে অনেক এগিয়ে ৫ বারের বিশ্বজয়ীদের থেকে। ফলে নেইমারদের (Neymar Jr.) নিয়ে আশার আলো দেখছেন না কেউই।
ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা নেইমার এবার ব্রাজিলের স্কোয়াডে থাকলেও তিনি দলের সেরা মুখ নন। গত ৪ বছরে হাতেগোনা কয়েকটি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি ক্লাব ফুটবলে। ইউরোপ ছেড়েছিলেন আগেই। সৌদি লিগে গিয়ে বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন অসুস্থ অবস্থায় মাঠের বাইরে। তারপর ব্রাজিলিয়ান লিগে ফিরে বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত কিছু ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স করলেও পুরোনো নেইমারকে ফিরে পাওয়া যায়নি।
২০২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন করতেই যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল ব্রাজিলকে। কোয়ালিফায়িং রাউন্ডে মোট ৬ ম্যাচে দেখতে হয়েছিল হারের মুখ। তার মাঝে ছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৪-১ গোলে হারের জ্বালা। শেষপর্যন্ত ১০ দলের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ৫ নম্বরে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট হাতে পেয়েছে ২০০২ সালের বিশ্বজয়ীরা। ভিনিসিয়স জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল<span;> মার্টিনেল্লি, রাফিনহার মতো তারকারা ক্লাবের হয়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেললেও হলুদ জার্সিতে ব্যর্থ। তাই বিশ্বকাপের আগে দলের দায়িত্ব নিয়ে নেইমারকে একপ্রকার বাধ্য হয়েই ফিরিয়ে এনেছেন কোচ কার্লো আনসেলোত্তি।
আরও পড়ুন: যে ২ কারণে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব ছাড়লেন অস্কার! নতুন কোচের আলোচনায় উঠে এলো এই ২ নাম
তবে নামী-দামি তারকাদের ভিড়ে ব্রাজিল কোচ কার্লোর হাতে রয়েছে এমন এক তুরূপের তাস যাকে ব্যবহার করে তিনি প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে পারেন। বিপক্ষ যখন গুটি সাজাবে নেইমার, ভিনিসিয়সদের মতো তারকাদের মাথায় রেখে তখন ১৯ বছর বয়সী এনড্রিকের গতিকে ব্যবহার করে তিনি ব্রাজিলকে পৌঁছে দিতে পারেন বহুকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

বিয়াল মাদ্রিদে একটি মরশুম কার্লোর কোচিংয়ে খেলেছিলেন তিনি। বেঞ্চ থেকে এসে নিয়মিত গোল করাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এনড্রিকের অভ্যাস। কিন্তু <span;>কার্লো আনসেলোত্তি রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে আর তিনি সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ফলে লোনে ফ্রান্সের ক্লাব লিঁও-তে যোগ দেন তিনি। আর ফ্রেঞ্চ লিগে যেন পাখনা মেলে উড়ছেন এই তরুণ ব্রাজিলিয়ান। ১৬ টি লিগের ম্যাচে তিনি করেছেন ৫ টি গোল ও ৭ টি অ্যাসিস্ট। তার গতির সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন লিগের ডিফেন্ডাররা। <span;>বিশ্বকাপেও সাবস্টিটিউট ফুটবলার হিসেবে মাঠে এসে ক্লান্ত ডিফেন্ডারদের গতিতে পরাস্ত করে তিনি হয়ে উঠতে পারেন ব্রাজিলের সেরা গোলমেশিন।












