SIR-এ নাম বাদ পড়াদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ! কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের মামলা

Published on:

Published on:

PIL in Calcutta High Court over Government scheme stopped for people excluded from voter list in SIR
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন তথা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। তাঁদের রেশন সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। এবার তাতেই রাজ্যকে বড় নির্দেশ দিল আদালত।

রাজ্যকে কী নির্দেশ হাইকোর্টের? | (Calcutta High Court)

পশ্চিমবঙ্গ খেতমজদুর সমিতির তরফ থেকে এই জনস্বার্থ মামলাটি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, রেশন ও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কারা পাবেন সেটা এসআইআরের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। রাজ্যের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আপনি কি আদৌ আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাবেন? কীভাবে চেক করবেন জানুন

মামলাকারী সংগঠনের বক্তব্য, ভারতের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুসারে, সবাই স্বল্প মূল্যে খাবার পেতে পারেন। ফলে রাজ্যের এই বিজ্ঞপ্তি এর পরিপন্থী। একইসঙ্গে তাঁদের আশঙ্কা, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে পরিযায়ী শ্রমিক, মহিলারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

এই বিষয়ে রাজ্যের এজি সুরজিৎ নাথ মিত্র আদালতে জানান, “বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখা দরকার। এসআইআরে কাদের নাম ডিলিট হয়েছে, রেশন ও অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা কারা পাচ্ছেন না, সেগুলি অনুসন্ধানের পর রাজ্য এই নিয়ে কী পদক্ষেপ করছে তা আদালতে জানানো হবে”।

উভয়পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য জানাতে হবে।

Calcutta High Court

এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত, ডুপ্লিকেট, স্থানান্তরিত মিলিয়ে ৯১ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। সেই সঙ্গেই লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির নামে প্রায় ২৭ লক্ষ নাম ঝুলে আছে। তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানিয়েছেন। রাজ্যের সিদ্ধান্তে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরা সুযোগ-সুবিধা পেলেও তালিকা থেকে পুরোপুরি নাম বাদ পড়ারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি। এই নিয়েই হাইকোর্টে মামলা হয়েছে।

উচ্চ আদালতের নির্দেশ, এই নিয়ে রাজ্যের বক্তব্য জানাতে হবে। দিনক্ষণও বেঁধে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যকে বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।