‘ব্ল্যাক আইস’-এর মরণফাঁদ উত্তর সিকিমে! আটকে পড়া ২৮ জন পর্যটকের সঙ্গে যা হল…

Published on:

Published on:

Tourists have been rescued in North Sikkim
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: তুষারপাতের জেরে মরণ ফাঁদে আটকে পর্যটকরা। বুধবার হঠাৎ তুষারপাত হওয়ায় উত্তর সিকিমের (North Sikkim) উঁচু এলাকায় তৈরি হয় ব্ল্যাক আইসের মরণফাঁদ। সেনাবাহিনী, সিকিম পুলিশ এবং লাচুং এর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদের যৌথ উদ্যোগে রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ পর্যটকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

উত্তর সিকিম (North Sikkim) কতটা বিপদজনক এইসময়?

উত্তর সিকিমে উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে ছিলেন কুড়ি জন পুরুষ আর আট জন মহিলা ও শিশু। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ হাজার ৩০০ ফুট উঁচু উত্তর সিকিমের জিরো পয়েন্ট এ বুধবার বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ও মাঝারি তুষারপাত চলেছে। জিরো পয়েন্ট এখানে ইউমেসামডং নামে পরিচিত। এখানে অক্সিজেনের মাত্রা বেশ কম তবুও তুষারপাতের আনন্দ নিতে অনেক পর্যটক সেখানে যান।

তুষারপাত হয়েছে লাচুং, লাচেন, ইয়ুমথাং উপত্যকা, গুরুদংমা হ্রদের উচু এলাকাতেও। হঠাৎ তুষারপাতের ফলে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং তৈরি হয় ব্ল্যাক আইসের মরণ ফাঁদ। ব্ল্যাক আইস কিন্তু কোন কালো বরফ নয়। এটি আসলে রাস্তার উপর জমে থাকা বরফের পাতলা আস্তরণ। যাতে মনে হয় যে রাস্তা অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এই ব্ল্যাক আইস খুব ভালো করে বোঝা যায় না বলে আরো বিপদজনক হয়। এখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নামলে তৈরি হয় ব্ল্যাক আইস।

আরও পড়ুন:আচমকাই প্লেব্যাক কেরিয়ারে ইতি, ভোটের আগে BJP-তে যোগ দিচ্ছেন অরিজিৎ? জল্পনায় তোলপাড়

আটকে পড়া পর্যটকদের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে এবং পাশে একটি শিব মন্দিরে তাদের পৌঁছে দেয়। সেনার পাশাপাশি সিকিম পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সাহায্য করতে থাকে উদ্ধারকাজে। বৃহস্পতিবার পর্যটকদের গ্যাংটকের ফেরাবার ব্যবস্থা করা হয়। জানা গেছে তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন:পরীক্ষার আগে হোঁচট! সময়মতো পৌঁছলই না উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সরকারি মডেল প্রশ্নপত্র

Tourists have been rescued in North Sikkim

সতর্ক করা হচ্ছে পর্যটক এবং গাড়িচালকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জিরো পয়েন্ট থেকে নেমে আসার জন্য। আবহাওয়া ধীরে ধীরে আরো খারাপ হচ্ছে। তাপমাত্রা শূন্যের নিচে চলে গেলে এই বরফ অর্থাৎ ব্ল্যাক আইস তৈরি হবে এবং এতে বিপদ আরও বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আটকে থাকা গাড়িগুলো উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ চলছে এখনও।