উপনির্বাচনে মমতার হাতেই জোড়াফুল প্রতীক! ফের কমিশন তলব করতেই বিরাট দাবি কালীঘাট তৃণমূলের

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee to get Trinamool Congress symbol claims Kalyan Banerjee
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের (Trinamool Congress) দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে সংঘাত চরমে উঠেছে। শনিবার কালীঘাট তৃণমূল ও নতুন তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই প্রতীক বিবাদের প্রথম রাউন্ডে সম্ভবত মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল এগিয়ে। অন্ততপক্ষে উপনির্বাচনে মমতার হাতেই জোড়াফুল প্রতীক থাকার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে দাবি কালীঘাট শিবিরের।

তৃণমূলের প্রতীক ইস্যুতে বড় দাবি কালীঘাট তৃণমূলের | (Trinamool Congress)

গতকাল তৃণমূলের দুই শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করলেও কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। জ্ঞানেশ কুমারদের তরফে ঋতব্রত শিবিরকে তাঁদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু নথি জমা দিতে বলা হয়। এরপর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ও ১৭ সেপ্টেম্বর ফের কালীঘাট শিবিরকে তলব করা হয়েছে। মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ ১৭ দিন পর আশার আলো! চিনে অক্ষত রয়েছেন শর্মিষ্ঠা? ভিডিও শেয়ার করে বড় বার্তা শুভ্রাংশুর

এদিকে ১৬ ও ১৭ তারিখ কালীঘাট শিবিরকে যেহেতু ফের তলব করা হয়েছে, সেই কারণে ধরে নেওয়া যায় ওইদিনের আগে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেবে না নির্বাচন কমিশন। তাঁদের তরফে কোনও নির্দেশ না দেওয়ার অর্থ ‘স্টেটাস কো’ তথা ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় থাকবে। সেক্ষেত্রে কালীঘাট শিবিরের লাভ হবে। কারণ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ‘জোড়াফুল’ প্রতীক বিলি করেছিলেন। সেই কারণে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনেও তাঁর কাছেই দলের প্রতীকের অধিকার থাকবে। এমনটাই দাবি করেছেন সাংসদ কল্যাণ।

এই বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের দাবি, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচনের মনোনয়ন দেওয়ার শেষ দিন। ফলে সেই ভোটে জোড়াফুল প্রতীক তাঁদের দখলেই থাকবে।

গতকাল কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পরেই কালীঘাট শিবিরের তরফ থেকে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়। ডেরেক ও’ব্রায়েন কমিশনকে চিঠি দিয়ে দাবি করেন, ঋতব্রত শিবির তাঁদের দাবির স্বপক্ষে কী কী নথি জমা করেছে সেটা এখনও মমতা শিবিরকে কমিশনের তরফে স্পষ্ট করা হয়নি। পাশাপাশি কমিশনের নিজের পোর্টালে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল সংবিধানের সর্বশেষ তথ্যও জানা যায়নি।

Trinamool Congress

ডেরেকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান সংবিধান অনুসারে ২০২৭ সালে ফের দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই অনুযায়ী এখনও অবধি সরকারি ও দাপ্তরিকভাবে দলের একচ্ছত্র চেয়ারপার্সন মমতাই। এছাড়া দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন নিয়ে ঋতব্রতদের আনা অভিযোগও বৈধ নয়। এই চিঠি দেওয়ার পরেই ফের কালীঘাট শিবিরকে তলব করে কমিশন।

বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পরেই দু’ভাগে ভেঙে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন অবধি পৌঁছেছে। গতকাল দুই শিবিরের সঙ্গে বৈঠকের পর ফের মমতাদের পক্ষকে তলব করেছে কমিশন। এরপরেই প্রতীক নিয়ে বড় দাবি করল কালীঘাট তৃণমূল শিবির।