বাংলাহান্ট ডেস্ক : নতুন কৃষকবন্ধু প্রকল্প (Krishak Bandhu) নিয়ে এল বড় আপডেট। এই প্রকল্পের অধীনে থাকা সমস্ত সুবিধাভোগীদের ভেরিফিকেশন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভেরিফিকেশনের জন্য ফর্ম বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, অনুমোদিত কর্মীদের দ্বারা যাচাই করে পোর্টালে আপলোড করা হবে আবেদনগুলি।
কৃষক বন্ধুর (Krishak Bandhu) আবেদন কারা অনুমোদন করবেন?
আবেদন অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহকারী কৃষি অধিদপ্তর, ব্লক স্তরের অফিসার, ব্লক বা জেলা প্রশাসনকে। উল্লেখ্য, ভেরিফিকেশন ফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য, জমির তথ্য, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। কী কী তথ্য পূরণ করতে হবে?

কী কী তথ্য দিতে হবে: জানা যাচ্ছে, ফর্মে উপভোক্তার নাম, পিতা/স্বামী/স্ত্রী/অভিভাবকের নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, আধার সংযুক্ত মোবাইল নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর, আধার নম্বর, জমির বিবরণ, প্রধান পেশা, আয়কর প্রদান করেন কিনা, স্বামী/স্ত্রীর প্রয়োজনীয় তথ্য, উপভোক্তার তথ্য দিতে হবে।
আরও পড়ুন : ইলিশ-চিংড়ি টাটকা কিনা কীকরে বুঝবেন? জেনে রাখুন কৌশল
ডকুমেন্ট কী কী: বেশ কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে ভেরিফিকেশন ফর্মের সঙ্গে। আধার কার্ডের জেরক্স (Krishak Bandhu) কপি জমা দিতে হবে আবেদনকারীকে। স্বামী/স্ত্রীর আধার কার্ডের জেরক্স, আবেদনকারীর ভোটার কার্ডের কপি, স্বামী/স্ত্রীর ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স লাগবে। এছাড়া জমির খতিয়ানের কপি, জমির দখল সংক্রান্ত নথি, কৃষক বন্ধু রেকর্ডে থাকা তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইলে সেটাও জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন : এ সপ্তাহেও এল না TRP, কী প্রভাব পড়বে সিরিয়ালের উপর?
ভেরিফিকেশন ফর্মে কৃষক বন্ধু আইডি নম্বরও উল্লেখ করতে হবে। আইডি নম্বর ভোটার কার্ড নম্বর, আধার কার্ড নম্বর, রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর, অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে বের করা যাবে। এর জন্য কৃষক বন্ধুর অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে নথিভুক্ত কৃষকের তথ্য অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর পরের পেজে আধার, ভোটার, রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে হবে। এরপর নির্বাচিত তথ্যের নম্বর দিয়ে সার্চ করলে কৃষকের নাম ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে আইডি নম্বর দেখা যাবে।













